advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

‘নো মুশতাক নো টেস্ট’

সাইফুল ইসলাম রিয়াদ ইন্দোর থেকে
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ১২:৫২
গুলরেজ আলী
advertisement

সৈয়দ মুশতাক আলী। ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। বিদেশের মাটিতে ভারতের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকান ডানহাতি এই ওপেনার। ১৯১৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করেন। ঘুমের মধ্যে ২০১৮ সালের ১৮ জুন মৃত্যুবরণ করেন ইন্দোরেই। ক্রিকেটে অবদানের জন্য মুশতাক আলীর হাতে ভারতের পদ্মশ্রী পুরস্কারও ওঠে। তার কৃতিত্বস্বরূপ ভারতজুড়ে ‘সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফি’ নামে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল দুই টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচের জন্য মুশতাক আলীর শহরেই অবস্থান করেছিল গত সপ্তাহজুড়ে। এই সুবাদে মুশতাক আলীর পরবর্তী প্রজন্ম ছেলে গুলরেজ আলীর বাসভবনে যাওয়া। ২০ বছর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা গুলরেজ আলীর কথায় উঠে এসেছে তার বাবার জীবনের স্বপ্নময় গল্প থেকে শুরু করে বর্তমান বাংলাদেশের ক্রিকেটের অবস্থা নিয়ে। আমাদের সময়কে দেওয়া মুশতাক আলীর ছেলে গুলরেজ আলীর বিশেষ সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলোÑ

প্রশ্ন : আপনার বাবা মুশতাক আলীকে খেলোয়াড় হিসেবে দেখার কোনো স্মৃতি মনে পড়ে?

গুলরেজ আলী : না, আমি ওনাকে খেলোয়াড় হিসেবে দেখিনি। আমার জন্ম ১৯৪৮। বাবা অবসরে গেছেন ১৯৫২ সালে। আমি ওনার কিছু প্রথম শ্রেণির ম্যাচ দেখেছি। রঞ্জির ম্যাচ দেখেছি। আগের সময় নিয়ে ওনার সঙ্গে কথা হতো। ১৯৩৬ সালে ভারত ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিল জাহাজে। যেতে ১ মাস লেগেছিল। পুরো ভারতীয় দল জাহাজে গিয়েছিল। জাহাজেই অনুশীলন করতে করতে গেছে।

প্রশ্ন : ওনার ক্রিকেট ক্যারিয়ার কীভাবে শুরু হয়েছিল?

গুলরেজ আলী : বাবার ক্যারিয়ার আসলে শুরু হয়েছিল সেøা লেফট আর্ম বোলার হিসেবে। ইন্দোরে জন্ম প্রথম ক্রিকেটারই আমার বাবা ছিলেন। আমার দাদা ব্রিটিশ আমলে পুলিশের এসপি ছিলেন। ১৯২৬ সালে ইন্দোরের হোলকার সিকে নাইডুকে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে নাগপুর, তার পর ইন্দোরে নিয়ে আসেন। আমার বাবার সৌভাগ্য যে, সিকে নাইডু আমাদের ঘরের পাশেই বাসা নেন। সিকে নাইডুর মোটর বাইক ছিল। উনি আসতে যেতে দেখতেন একসঙ্গে অনেক বাচ্চা খেলছে। (দ্বিতীয় পর্ব আজ)

advertisement