advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নির্মমতা দেখলেন নবাগতরা
বিশ্ববিদ্যালয়ে টর্চার সেল উৎখাত করুন

১৯ নভেম্বর ২০১৯ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ১২:৫৭ এএম
advertisement

পড়ার টেবিল থেকে তুলে নিয়ে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার হৃদয়বিদারক ঘটনার পর বেরিয়ে আসে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে নির্যাতনের ভয়ঙ্কর চিত্র। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কমবেশি আজ তথাকথিত গণরুম কালচার, র‌্যাগিং ইত্যাদিতে ক্ষতবিক্ষত। দুঃখজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ‘টর্চার সেল’ আছে।

এ প্রথাকে প্রতিহত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চার দিনব্যাপী নবাগতদের উদ্দেশে মঞ্চের ব্যানারে ‘গণরুম-গেস্টরুম ও সন্ত্রাসবিরোধী’ স্থিরচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নির্মমতার বিভিন্ন ঘটনা উঠে আসে।

ঢাবি মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন হাফিজুর মোল্লা। থাকতেন এসএম হলের বারান্দায়। শীতের রাতে ছাত্রলীগের ‘গেস্টরুম কর্মসূচি’তে কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। ওই ঘটনায় হল প্রশাসন তদন্ত কমিটি করেছিল। কিন্তু সেই কমিটির প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখেনি।

র‌্যাগিংসহ নানা ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতার নিয়মিত চর্চা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় চলে আসছে। সাধারণভাবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে, র‌্যাগিং (শারীরিক নির্যাতন) বিশ্বব্যাপী ক্যাম্পাসগুলোর জন্য একটি সমস্যা। সে ক্ষেত্রে হল কর্তৃপক্ষের আসলে ভূমিকা কী? প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা যায়, হল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, এসব বিষয়ে তারা কিছুই জানে না। আজ সময় এসেছে এই নীরবতা ভেঙে দিয়ে শুদ্ধীকরণের লক্ষ্যে জেগে ওঠা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে ‘গবেষণা সেল’ থাকার কথা, সেখানে টর্চার সেলের এই ভয়াবহতা সারা জাতির জন্য লজ্জা এবং পরিতাপের। এসব রুখতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনের উদ্যোগী হওয়ার বিকল্প নেই।

advertisement