advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জকিগঞ্জের সুরমাপারে বসতহারাদের কান্না

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৫৯
advertisement

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় সুরমা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের অন্তত ৩৫০ পরিবার ফসলি জমি ও বসতভিটা হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে। বিলীন হয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মন্দির ও উত্তর খিলগ্রাম বাজার। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, এ ইউনিয়নে নদীর ভাঙন রোধে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই। নদীভাঙনের শিকার পরিবারগুলো যাযাবরের জীবনযাপন করছে। বর্তমানে ভাঙন ঝুঁকিতে আছে অর্ধশতাধিক পরিবার।

উত্তর খিলগ্রামের ৯৫ বছর বয়সী প্রিয়নাথ দে কান্নাকণ্ঠে জানান, তাদের সহায়-সম্পদ সবকিছু নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বাড়িঘর হারিয়ে তিনি নদীরক্ষা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি জানান, সুরমার ভাঙন শুরু হলে তারা সারারাত জেগে থাকেন।

একই গ্রামের বাসপতী দে জানান, তার বড় বাড়ি ও বহু জমি ছিল। সবই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন যৎসামান্য জমি আছে। নদীরভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা প্রশাসনের কাছে বহু আবেদন-নিবেদন করেছেন। কিন্তু কেউ ব্যবস্থা নেয়নি।

একই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নকুল চন্দ্র দে জানান, তার বসতবাড়ি নদীর একেবারে নিকটবর্তী। প্রতিদিন তারা বিনিদ্র রাত কাটান। যে কোনো সময় তার বাড়ি নদীতে তলিয়ে যেতে পারে।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডিও মনিরউদ্দিন জানান, সুরমা-কুশিয়ারা নদীর ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আশা করি, খুব শিগগির ভাঙন রোধে কাজ শুরু হবে।

advertisement