advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

তিনি একসঙ্গে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ

তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০০:৫৯
advertisement

একই সঙ্গে তারাকান্দি নি¤œমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ফজলুল হক চৌধুরী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হোসেন আলী চৌধুরী। তারাকান্দা নি¤œমাধ্যমিক বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত এবং কলেজটি সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। এমপিওভুক্ত একজন প্রধান শিক্ষক সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত একটি কলেজের অধ্যক্ষ হতে পারেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারাকান্দা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক।

এদিকে অধ্যক্ষ হোসেন আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন কলেজটির শিক্ষক ও কর্মচারীরা। নিয়োগপত্র দেওয়া ও এমপিওভুক্তির নামে ধাপে ধাপে তাদের কাছ থেকে ওই টাকা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারীরা অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় ইউএনও শারমিন সুলতানা বরাবর। ইউএনও প্রথমে এর ওপর গণশুনানি করেন। পরে ১০ নভেম্বর তিনি দ্বিতীয় দফায় সভা করেন অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে। সভায় অধ্যক্ষকে দ্রুত শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগের লিখিত জবাব দিতে বলেন তিনি। অধ্যক্ষ হোসেন আলী চৌধুরী দাবি করেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বানোয়াট। এদিকে নিয়োগপত্র দেওয়া এবং এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে টাকা তারা ঘুষের টাকা ফেরত চেয়েছেন।

তারাকান্দা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, নি¤œমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত। ওই হিসেবে বেতন নিচ্ছেন হোসেন আলী। অথচ ফজলুল হক চৌধুরী মহিলা কলেজ সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান, যার কোড নম্বর ৭২৯০, ইনডেক্স নম্বর ১৩৪২১৫। একই ব্যক্তি কীভাবে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ।

advertisement