advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বাংলাদেশের প্রস্তাব জাতিসংঘে পাস
বিশ্বব্যাপী বাড়বে পাটের চাহিদা

আমাদের সময় ডেস্ক
২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৪
advertisement

পাটসহ কয়েকটি প্রাকৃতিক তন্তুকে বিশ্বের টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহারের বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ। গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশের উত্থাপন করা ওই প্রস্তাবে সমর্থন দেয় বিশ্বের ৬৮টি দেশ। চলতি ৭৪তম সাধারণ পরিষদের দ্বিতীয় কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। জাতিসংঘে

অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ গত সেপ্টেম্বরে প্রস্তাবটি দ্বিতীয় কমিটিতে উত্থাপন করে। টানা সমঝোতা ও আলোচনার পর তাতে সমর্থন পাওয়ায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো এ ধরনের প্রস্তাব পাস হয়। ভারত, চীন, রাশিয়া, আয়ারল্যান্ড, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, মিসর, নাইজেরিয়াসহ ৬৮টি দেশ এ প্রস্তাবে সমর্থন দেয়। প্রস্তাবটি পাস হওয়ায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রাকৃতিক তন্তু নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, উন্নয়ন ও সহযোগিতার পথ সুগম হবে বলে মনে করছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। পাশাপাশি এর প্রচলিত ব্যবহারের বাইরে সৃজনশীল ও মূল্য সংযোজিত ব্যবহারের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম প্রস্তাব, যেখানে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগতভাবে টেকসই এবং সামাজিকভাবে লাভজনক কৃষিপণ্য পাট ও অন্যান্য প্রাকৃতিক তন্তুর চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবতা তুলে ধরা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো অর্জনে প্রাথমিকভাবে এতে পাট, অ্যাবাকা, কয়ার, কেনাফ, সিসাল, হেম্প ও রামির ব্যবহার এবং উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে, যা এতদিন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রায় অজানাই ছিল। এখন বিশেষ করে পাটজাত পণ্যের জন্য একটি শক্তিশালী, কার্যকর ও সুনিপুণ গ্লোবাল ভ্যালু চেইনের পথ পাকা হলো। এতে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বৈশ্বিক বাজারে বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশের পাট চাষি ও ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত দ্রব্যের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উপকারিতা বিশ্ববাসী জানতে পেরেছে। এখন আমরা প্রাকৃতিক তন্তু ব্যবহারের সুবিধা আর কৃত্রিম তন্তু যেমন প্লাস্টিক ব্যবহারের অসুবিধা তুলে ধরার সুযোগ পেলাম। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের পরিবেশগত বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধেও ভূমিকা রাখবে।’ আগামী ডিসেম্বরে সাধারণ পরিষদের প্ল্যানারিতে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের এই স্থায়ী প্রতিনিধি। এখন থেকে দ্বিবার্ষিকভাবে এটি জাতিসংঘে আলোচিত হবে।

advertisement