advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ট্রাম্প-ইমরান ফোনালাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ নভেম্বর ২০১৯ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ১২:২৫ এএম
advertisement

কাশ্মীর নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বৃহস্পতিবার এক ফোনালাপে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক ইস্যু নিয়েও কথা বলেন দুই নেতা। ইমরান খানের দপ্তর থেকে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়। ডন।

৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মীরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। জারি করা হয়েছিল বিধিনিষেধ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার শত শত নেতাকর্মীকে। এর পর থেকেই কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান।

কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্পের মধ্যস্থতার প্রস্তাবের প্রশংসা জানিয়ে ইমরান খান বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কাশ্মীরে শান্তিপূর্ণ সমাধানে চাপ প্রয়োগ করে যেতে হবে।

ট্রাম্পও বারবার মধ্যস্থতার আগ্রহ দেখিয়ে যাচ্ছেন। তবে ভারতের দাবি, কাশ্মীর তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যপার।

এ ছাড়া আফগানিস্তান ইস্যুতেও কথা হয় দুই নেতার। ট্রাম্পকে ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তানে পশ্চিমা বন্দিদের মুক্তি দেওয়া ইতিবাচক অগ্রগতি। তালেবানদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা চালিয়ে যেতে পাকিস্তানের প্রয়াসের প্রশংসা করেন ট্রাম্প। ইমরান খানও পুনরায় আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিজেদের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেওয়া প্রথম ভাষণেও ইমরান দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের তিক্ততা ও তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষ্যে তার সদিচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কাশ্মীর সংকট সমাধানে নয়াদিল্লি যদি এক পা এগোয়, তা হলে ইসলামাবাদ দুই পা এগোবে।

সম্প্রতি ইমরান খান অভিযোগ তোলেন, ভারত এখন ‘চরমপন্থি আদর্শবাদী ও বর্ণবাদী’দের কব্জায় রয়েছে। এসব নেতা এখন দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্বেষের আদর্শ প্রচার করছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আর তা না হলে এর ফল পুরো বিশ্বকে ভোগ করতে হবে।’

দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও উন্নয়নবিষয়ক এক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ১৪ নভেম্বর ভাষণ দেন ইমরান খান। সেখানে তিনি ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন। ইমরান বলেন, ‘ভারত কোন দিকে যাচ্ছে কেউ জানে না। মানুষ ভীত। সংবাদমাধ্যম পরিবেশন করতে ভয় পাচ্ছে। এটি ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ভারতকে এর জন্য ভুগতে হবে।’

আঞ্চলিক শান্তির জন্য ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজন বলে মনে করেন ইমরান খান। তিনি বলেন, ‘একে অন্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চেয়ে আমরা ভারত ও পাকিস্তান একসঙ্গে দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ ও ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়তে পারব।’

ইমরান আরও বলেন, পাকিস্তান গত চার দশকের পররাষ্ট্রনীতি থেকে শিক্ষা পেয়েছে এবং ইসলামাবাদ আর কারও সঙ্গেই যুদ্ধে জড়াবে না।

advertisement