advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মান্নাবিহীন এক যুগ আজ

বিনোদন প্রতিবেদক
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:১৬ পিএম | আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:১৬ পিএম
চিত্রনায়ক মান্না। ফাইল ছবি
advertisement

চিত্রনায়ক মান্নার রাজত্ব শুরু হয় নব্বই দশকের দিকে। ১৯৮৪ সালে এফডিসির নতুন মুখের সন্ধান কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে পা রাখেন মান্না। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘তওবা’ (১৯৮৪)। তবে এটি মুক্তির আগে ‘পাগলি’ শিরোনামে তার অন্য একটি সিনেমা মুক্তি পায়। একক নায়ক হিসেবে তার উত্থান বা জনপ্রিয়তা ১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘কাশেম মালার প্রেম’ দিয়ে।

মান্নাবিহীন চলচ্চিত্রের এক যুগ আজ। আজ এই চিত্রনায়কের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আকস্মিকভাবে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান মান্না।

জানা গেছে, দিনটির স্মরণে আজ মান্না ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শেলী মান্নার নেতৃত্বে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর উত্তরার বাসায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন মান্না। তার আসল নাম এস এম আসলাম তালুকদার। অভিনয় জীবনে প্রায় সাড়ে তিনশ সিনেমায় অভিনয় করেছেন মান্না। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হলো- ‘সিপাহী’, ‘যন্ত্রণা’, ‘অমর’, ‘পাগলী’, ‘দাঙ্গা’, ‘ত্রাশ’, ‘জনতার বাদশা’, ‘লাল বাদশা’, ‘আম্মাজান’, ‘দেশ দরদী’, ‘অন্ধ আইন’, ‘স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘অবুঝ শিশু’, সিটি টেরর, ‘মায়ের মর্যাদা’, ‘মা-বাবার স্বপ্ন’, ‘হৃদয় থেকে পাওয়া’, ‘মনের সাথে যুদ্ধ’, ‘বড় লোকের জামাই’ ইত্যাদি। ‘বীর সৈনিক’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

অভিনেতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন সফল চলচ্চিত্র প্রযোজকও। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘কৃতাঞ্জলি’ থেকে নির্মিত হয়েছে বেশ কিছু ব্যবসা সফল ছবি। এই তালিকায় আছে- ‘লুটতরাজ’, ‘লাল বাদশা’, ‘আব্বাজান’, ‘স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘দুই বধূ এক স্বামী’, ‘মনের সাথে যুদ্ধ’, ‘মান্না ভাই’ ও ‘পিতা মাতার আমানত’। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

advertisement