advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দেশের চার ভেন্যুতে তৃণমূল ফুটবল
সরকারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় বাফুফে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
১৩ জুলাই ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২০ ০১:৩৭
advertisement

দেশের চারটি ভেন্যুতে শুরু হবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কর্তৃক তৃণমূল ফুটবলের কার্যক্রম। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেলে তৃণমূল ফুটবলের জন্য খেলোয়াড় বাছাইয়ের রেজিস্ট্রেশনের তারিখ ঘোষণা করা হবে। এর আগে বাফুফে একটি ডেডলাইন দেবে। এ ডেডলাইনের মধ্যে আগ্রহীরা রেজিস্ট্রেশেন করবেন। সেখান থেকে ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে সেরাদের বাছাই করে তৃণমূলের কার্যক্রম শুরু করবে বাফুফে। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘সম্ভবত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর বা অক্টোবর-নভেম্বর নাগাদ কাজ শুরু হবে। তবে তার আগে কোচ অ্যাপোয়েন্টমেন্ট, মাঠের সুবিধা নিশ্চিত করা ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করব।’ তৃণমূল ফুটবলের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক আমাদের টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের আওতায় আমরা তৃণমূল ফুটবলে চারটি ভেন্যুতে গ্রাসরুট অ্যাক্টিভিটিজ সম্পাদন করব। সে ব্যাপারে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক ডিসিশন নেওয়া হয়েছে যে সেই চারটি ভেন্যু হচ্ছে নীলফামারী, মাদারীপুর, ফেনী ও ঢাকা। এই চারটি ভেন্যুতে, বেসিক্যালি প্রতি ভেন্যুতে ৬টি ব্যাচ বা ৬টি গ্রুপকে ফাইনালাইজ করা হবে। সেখানে ব্যাচ গুলো হবে ছেলেদের জন্য ৪টি গ্রুপ এবং মেয়েদের জন্য ২টি গ্রুপ। প্রতি ভেন্যুতে টোটাল ৬টি ব্যাচ। ছেলেদের যে ৪টি ব্যাচ হবে সেখানে ৪টি এইজ ক্যাটাগরি থাকবে। সেই এইজ ক্যাটাগরিগুলো হবে ৮ বছর থেকে ১৮ বছর বয়সের মধ্যে এবং মেয়েদেরও ২টি মাত্র ব্যাচ থাকবে এবং তাদেরও বয়স হবে ৮-১৮ এর মধ্যে (৮-১৩ বছর বয়সী ১টি এবং ১৩-১৮ বছর বয়সী অপর ১টি ব্যাচ)। প্রতি ব্যাচে ছেলেদের সর্বোচ্চ ৫০ জন এবং মেয়েদের ৩০ জন করে খেলোয়াড় থাকবে। তিনি আরও বলেন, এই ৬টি ব্যাচ সপ্তাহে ট্রেনিং করবে বাফুফে অ্যাপয়েন্টেড কোচের অধীনে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩টি করে ব্যাচ ট্রেনিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে। অর্থাৎ প্রত্যেকটি ব্যাচকে সপ্তাহে এভরি অল্টারনেট ডেতে ট্রেনিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে। এভাবে করে দেখা যাবে দুটো ব্যাচ শনি-সোম-বুধ, অপর দুটো ব্যাচকে রবি-মঙ্গল-বৃহস্পতিÑ এভাবে ট্রেনিং প্রদান করা হবে। এ জন্য আমাদের যে শুক্রবার দিনটি বাকি রয়েছে, সেই শুক্রবার দিনটা দেখা যাবে আমাদেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত যারা রয়েছে অথবা স্পেশালি যারা চ্যালেঞ্জড রয়েছে তাদের জন্য সেদিনটা ডেডিকেটেড থাকবে। সেই দিন বাফুফের অ্যাপয়েন্টেড কোচ নির্দিষ্ট ভেন্যুতে তাদের নিয়ে কাজ করবেন যারা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত বা স্পেশলি চ্যালেঞ্জড যারা রয়েছেন তাদের নিয়ে। এ বিষয়গুলোয় কনফার্ম করার জন্য এই ৬টি ব্যাচে সর্বোচ্চ ২৬০ জন যে খেলোয়াড় রয়েছে, তাদের নিয়ে বাফুফে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বছরব্যাপী তৃণমূলের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তাদের বাফুফে অ্যাপোয়েন্টেড কোচ দিয়ে নির্দিষ্ট ভেন্যুতে ট্রেনিং প্রদান করা হবে। আবু নাইম সোহাগ জানান, বাফুফে কর্তৃক যে চারটি ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে আমাদের একটা উদ্দেশ্য থাকবে যে, আমরা যে ৪টি ভেন্যুকে ২০২০ সালে সিলেক্ট করেছি বা প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করেছি আমাদের একটা স্ট্র্যাটেজিক অবজেকটিভ রয়েছে আগামী ৩ বছরের মাথায় আমরা পর্যায়ক্রমে এই ৪টি ভেন্যুকে কিভাবে ১০টি বা ১২টি ভেন্যুতে উন্নীত করতে পারি। এই ৪টি ভেন্যুর সাথে আগামী বছর হয়তো আরও ২-৩টি ভেন্যু যোগ হবে। এর পরের বছর যদি আরও ৩-৪টি ভেন্যু যোগ হয় সেভাবে ৩ বছরের মাথায় কীভাবে ১০টি ভেন্যুতে পৌঁছতে পারি তার একটা উদ্দেশ্য থাকবে।

advertisement