advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

প্রথমবার ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি

ক্রীড়া ডেস্ক
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৫ মে ২০২১ ২২:৫৭
advertisement

রিয়াদ মাহারেজের দুই গোলে পিএসজিকে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ২-০ গোলে পরাজিত করে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি।

ইতোমধ্যেই লিগ কাপ নিশ্চিত করা সিটিজেনরা প্রিমিয়ার লিগ শিরোপার পথেও এক পা দিয়ে রেখেছে। সে কারণে বলাই যায় ট্রেবল জয়ের অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে গেছে পেপ গার্দিওলার দল। এর আগের চার মৌসুমেই গার্দিওলার অধীনে সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নিতে হয়েছিল সিটিজেনদের। এর আগে বার্সেলোনায় থাকাকালীন দুবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয় করেছেন গার্দিওলা। পঞ্চম বছরে এসে শেষ পর্যন্ত ফাইনাল নিশ্চিত করতে পারায় সিটিতে তার সময়টা অবশেষে সফল হয়েছে বলে গার্দিওলা মন্তব্য করেছেন।

যদিও ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ এই আসরে বেশ কয়েকবারই হতাশ হতে হয়েছে এই কাতালান কোচকে। এ সম্পর্কে গার্দিওলা বলেছেন, ‘এটি আমাদের সবার ও ক্লাবের জন্যই সম্ভব হয়েছে। আমি সত্যিই দারুণ গর্বিত। শেষ চার কিংবা পাঁচ বছরে আমরা কী করেছি তার অর্থ শেষ পর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছনোর মাধ্যমে সফল হয়েছে। প্রতিদিনই ছেলেরা ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিয়েছে এবং তারই ফসল আজকের এই জয়।’

প্রথম লেগেও ২-১ গোলে সিটির জয়ে আলজেরিয়ান স্ট্রাইকার মাহারেজ জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। এই ম্যাচে দুই অর্ধে দুটি দুর্দান্ত গোল করে তিনি আবারও নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিলেন।

এদিকে বিশ্বের অন্যতম দামি দুই খেলোয়াড় নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়েও চার বছর ধরে কিছুই করতে পারছে না পিএসজি। আরও একবার তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ভাগে এসে হতাশ হতে হলো। কাফ ইনজুরির কারণে পুরো ম্যাচ স্ট্যান্ডে বসেই দেখতে হয়েছে এমবাপ্পেকে। গত সপ্তাহে প্রথম লেগেও তিনি নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি।

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরুটাও আগের ম্যাচের মতোই ভালো করেছিল প্যারিসের জায়ান্টরা। প্রথমার্ধটা প্রায় পুরোটাতেই তাদের আধিপত্য ছিল। মাহারেজের দুই গোলের মাঝে মারকুইনহোস ও অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া পিএসজির হয়ে দুটি দারুণ সুযোগ নষ্ট করেছেন। তার ওপর ম্যাচ শেষের ২০ মিনিট আগে ফার্নান্দিনহোকে ফাউলের অপরাধে ডি মারিয়া সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে গেলে বাকি সময়টা ১০ জন নিয়েই সিটিকে প্রতিরোধ করতে হয়েছে পিএসজিকে।

advertisement