advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে লেনদেনের সময় বৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৫ মে ২০২১ ২৩:০৭
advertisement

দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের সময় ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময় ব্যাংকগুলো সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চলালেও লেনদেনের সময় বাড়িয়ে ৪ ঘণ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনের সময় বাড়ানো হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেনও।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন ও বিএসইসির তরফ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা লেনদেন হবে। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক

রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ব্যাংক লেনদেনের সময় বৃদ্ধির কারণে ৬ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত পুঁজিবাজারে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন চলবে। এ সময় লেনদেন চলাকালে প্রি-ওপেনিং সেশন ৯.৪৫ থেকে ১০.০০ এবং পোস্ট ক্লোজিং সেশন ০১.৩০ থেকে ০১.৪৫ চালু থাকবে।

এর আগে ১৪ এপ্রিল থেকে ৫ মে বিধিনিষেধ চলাকালে ব্যাংক লেনদেনের সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা ছিল বিকাল আড়াইটা পর্যন্ত। এখন লেনদেন ও ব্যাংক খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি ব্যাংকের উপজেলা শহরের একটি শাখা খোলা থাকবে বৃহস্পতিবার, রবিবার ও মঙ্গলবার। সিটি করপোরেশনের এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে একটি শাখা প্রতি কর্মদিবস খোলা রাখতে হবে। নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল জারি করা নির্দেশনা ১৬ মে পর্যন্ত সীমিত ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলো। লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩ এপ্রিল ২০২১ তারিখে জারি করা ডিওএস সার্কুলার লেটার অনুযায়ী অন্যান্য নির্দেশ অপরিবর্তিত থাকবে।

সীমিত পরিসরে চলবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান : এ সময় ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও সীমিত পরিসরে ৪ ঘণ্টা চলবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রাহকদের জরুরি সেবা দেবে। গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। নির্দেশনাটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গ্রাহকদের জরুরি আর্থিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালু রাখবে। গ্রাহকদের হিসাবের মেয়াদ পূর্তিতে স্থায়ী আমানত নগদায়ন, ঋণের কিস্তি জমাদান ইত্যাদি জরুরি আর্থিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ৬ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ দুটি শাখা (একটি ঢাকায় ও অপরটি ঢাকার বাইরে) ও প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, জরুরি গ্রাহক সেবা নির্বিঘœ রাখতে প্রয়োজনীয় জনবলের বিন্যাস ও উপস্থিতির বিষয়টি প্রতিষ্ঠানগুলো স্বীয় বিবেচনায় সম্পন্ন করবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঈদের ছুটিতে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন।

advertisement