advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দ্বিতীয় ধাপে অনুদান পাবেন লক্ষাধিক নন-এমপিও শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৬ মে ২০২১ ০৯:২১
advertisement

দেশে করোনা পরিস্থিতির কারণে দ্বিতীয় দফায় সরকারি সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষক-কর্মচারীদের আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। গত দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় নন-এমপিও এসব শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের কথা বিবেচনা করে আবারও আর্থিক অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এ অনুদান ঈদের পরে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

জানা গেছে, গত বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে নন-এমপিও ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষককে জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা এবং ২৫ হাজার ৩৮ জন কর্মচারীকে জনপ্রতি আড়াই হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই খাতে সরকার মোট ৪৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। এবারও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের তালিকা সংগ্রহ করে অর্থ বরাদ্দ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এই বরাদ্দ পাওয়ার পর সারাদেশের কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসায় কর্মরত নন-এমপিও ৫১ হাজার ২৬৬ জন শিক্ষকের জন্য আলাদা বরাদ্দ চাওয়া হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের বিশেষ অনুদানের প্রস্তাবটি সরকারের সর্বোচ্চ মহলের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। তবে এ টাকা তারা ঈদের আগে পাবেন কিনা সেটি নির্ভর করছে ফাইল অনুমোদন ও অর্থ ছাড়ের ওপর। যেহেতু ঈদের আর কয়েক দিন বাকি রয়েছে, তাই এটি পরে দেওয়া হতে পারে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নন-এমপিও শিক্ষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বছর তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সে জন্য প্রকৃত শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য খুঁজে বের করতে দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (ব্যানবেইস)। প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেসে থাকা ৬৪ জেলার ৮ হাজার ৪৯২টি স্কুল ও কলেজের নন-এমপিও ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষক এবং ২৫ হাজার ৩৮ জন কর্মচারীসহ মোট এক লাখ পাঁচ হাজার ৭৮৫ জনের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়। ব্যানবেইস মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের তালিকাভুক্ত ইআইএনধারী (বোর্ড স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান শনাক্তকরণ নম্বর) নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশাল সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারীর হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে ডাটাবেজ তৈরি করে। এর পর তা স্থানীয় প্রাশাসনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়।

সেই তালিকার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ জেলা প্রশাসকদের কাছে সংশ্লিষ্ট নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে চেক/ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাঠানো হয়। চলতি বছর একইভাবে এই তালিকা ধরে অনুদানের ফাইল প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মমিনুর রশিদ বলেন, আমরা গত এক মাস আগে নন-এমপিও লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সেটি উচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদন হলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড় দেওয়া হবে। সেই অর্থ অনুদান হিসেবে বিতরণ করা হবে তালিকাভুক্তদের মাঝে। তবে ঈদের পর ছাড়া সেটি সম্ভব হবে না।

advertisement