advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

যুক্তরাষ্ট্রে ইয়াবা পাচার ট্রানজিট বাংলাদেশ

গোলাম সাত্তার রনি
৬ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৬ মে ২০২১ ০৮:১৬
পুরোনো ছবি
advertisement

সৌদি আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের পর যুক্তরাষ্ট্রেও ইয়াবা পাচার হচ্ছে। বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে সরকারি ডাক বিভাগকে। গত সোমবার বিকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতর একটি পার্সেল তল্লাশি করে হাজার পিস ইয়াবাসহ সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তারেক হাসানসহ একটি চক্র ডাক বিভাগে পার্সেলের সাহায্যে মাদক পাচার করে আসছিল। অন্য একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এরা মিয়ানমার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট এনে বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করত। এতে দেশের সুনাম ক্ষুণœ হচ্ছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য পেয়ে তাই সোমবার ওই চালানটি আটক করা হয়। তারেক হাসান পলাতক রয়েছে।

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. হোসেন মিয়া আমাদের সময়কে বলেন, ‘এ চক্রটি ১০-১২টি ইয়াবার চালান বিদেশে পাঠিয়েছে। আমরা সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারেক হাসান নামে একজন এ চক্রের সহযোগী। তবে আমরা পুরো চক্র এবং পাচারের রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছি।’

সূত্র জানায়, জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের জন্য ইসরাত হাসান নামে এক ব্যক্তি রাজধানীর মিরপুর সাব-পোস্ট অফিসে গত রবিবার বুকিং করেন। পার্সেলটি মূলত পরার কাপড় হিসেবে দেখানো হয়। সেটি পৌঁছানোর কথা ছিল নিউইয়র্কের জ্যামাইকায়। মিরপুর পোস্ট অফিসের প্যাকারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মাদকদ্রব্য কর্মকর্তাদের তিনি জানান, প্যাকিংকৃত কার্টনের ভেতরে ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল কিনা, তা তিনি জানেন না।

advertisement