advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জবাবদিহি ও শাস্তি নিশ্চিত করুন : উদ্ধার ইয়াবা ঢুকল ডিবির পকেটে

৯ মে ২০২১ ০০:০০
আপডেট: ৮ মে ২০২১ ২৩:৫১
advertisement

সংবাদমাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযানসহ নানা রকম তৎপরতার খবর প্রায়ই প্রকাশ হয়। এ থেকে প্রতীয়মান হয়, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো মাদক ব্যবসায়ীদের দমন করার জন্য প্রবল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি ক্রসফায়ারের মতো ঘটনাও ঘটছে। তার পরও মাদকদ্র সারাদেশে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে সেই প্রশ্ন জনমনে ওঠা স্বাভাবিক। মূলত ইয়াবার মতো অধিকাংশ মাদকদ্রব্যই বাংলাদেশের ভূখ-ের ভেতরে উৎপাদিত হয় না, সেগুলো আসে দেশের বাইরে থেকে, বিশেষত মিয়ানমার থেকে। কিন্তু কীভাবে আসে? আমাদের জাতীয় সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে কি কেউ নেই? থাকলে তারা কী করছেন? দেশের ভেতরে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য কেনাবেচায় লিপ্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার কিংবা ‘বন্দুকযুদ্ধ’ নিষ্ফল হচ্ছে এই কারণে যে, সীমান্ত পেরিয়ে সেগুলো দেশের ভেতরে ঢুকতে পারছে।

গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ঢাকার অদূরে গাজীপুরের শিল্প এলাকা টঙ্গীর একটি বাসায় অভিযানে যায়। এক লাখ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে তারা। কিন্তু এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় অভিযান চালানোর কথা উল্লেখ করা হয়। জব্দ তালিকায় দেখানো হয় ১০ হাজার পিস ইয়াবা। এখানেই শেষ নয়, গ্রেপ্তার আসামির পরিবারের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় ৩২ লাখ টাকা। আরেকজনকে আসামি তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলে তার পরিবারের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেন ডিবির এক কর্মকর্তা।

যে সরিষার মাধ্যমে ভূত তাড়ানোর কথা তার ভেতরেই যদি ভূত থাকে, তা হলে সমস্যার সমাধান কত কঠিন হয়ে পড়ে, তা সহজেই অনুমান করা যায়। মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে সীমান্তের সুরক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর বিকল্প নেই। গাজীপুরের ঘটনায় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

advertisement