advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সেই শিশু হত্যাকারী আরেক শিশু

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
৯ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৯ মে ২০২১ ০০:৪১
নিহত মহিবুল্লাহ
advertisement

গুরুদাসপুর উপজেলার সাবগাড়ী ভিটাপাড়া গ্রামে ছয় বছরের শিশু মহিবুল্লাহ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ন্যাড়া মাথা নিয়ে ঠাট্টা করায় ১২ বছরের নয়ন তাকে গলা কেটে হত্যা করেছে। নয়ন একই গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে। শুক্রবার গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে নাটোর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার দুপুরে নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান এসপি লিটন কুমার সাহা। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশু মহিবুল্লাহর বস্তাবন্দি গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সে পাশর্^বর্তী সিংড়া উপজেলার গোটিয়া মহিষমারী গ্রামের পল্লী চিকিৎসক ইসাহক আলীর ছেলে। ১৫ দিন আগে মায়ের সঙ্গে গুরুদাসপুরের সাবগাড়ী গ্রামে নানা দিরাজ মোল্লার বাড়িতে বেড়াতে আসে মহিবুল্লাহ। ঘটনার দিন সন্ধ্যা থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন জানায়, মাথা ন্যাড়া করায় মহিবুল্লাহ তাকে বিভিন্নভাবে ঠাট্টা করত। মানা করলে আরও বেশি ঠাট্টা করত। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সে মহিবুল্লাহকে কাপড় দিয়ে মুখ বেঁধে পাশের ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে ছোরা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে লাশ বস্তায় করে আরেকটু দূরে ফেলে রেখে চলে যায়।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে হত্যকা-ে জড়িত সন্দেহে সাবগাড়ী গ্রামের মন্টুর ছেলে মো. নয়নকে রক্তমাখা ছোরা, একটি মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। পরে মহিবুল্লাহর বাবা ইসাহক আলী থানায় নয়নের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। নয়নকে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নাটোর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

advertisement