advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে গতকালের বিক্ষোভ
আসিয়ান দূতদের সফরে ‘না’ মিয়ানমারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৯ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ৯ মে ২০২১ ০০:১০
advertisement

মিয়ানমারে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরার আগে আসিয়ানের কোনো দূতকে স্বাগত জানানো হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার। টেলিভিশনে দেওয়া ব্রিফিংয়ে সামরিক কাউন্সিলের মুখপাত্র মেজর কাউং হেট সান নিজেদের এমন অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। আল জাজিরা।

মেজর সান বলেন, স্থিতিশীলতা ফেরার আগে আসিয়ান প্রতিনিধির সফরের সঙ্গে সরকার একমত নয়। কেননা এতে করে বিক্ষোভকারী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে আরও রক্তক্ষয়ী সহিংসতার পথ উন্মোচিত হবে।

গত মাসেই মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও জান্তা সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাং-এর উপস্থিতিতে দেশটির সংকট উত্তরণে পাঁচটি পয়েন্টে একমত হন আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সদস্যরা। এতে সহিংসতার অবসান ঘটানো, সেনাবাহিনী ও বিরোধীদের মধ্যে সংলাপ, মানবিক সাহায্যের অনুমতি এবং আসিয়ানের একজন বিশেষ প্রতিনিধিকে মিয়ানমার সফরের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ ছিল।

তবে শুক্রবার সামরিক কাউন্সিলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা এখন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিতে চান। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ইস্যুতে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছানোর পরই কেবল সরকার আসিয়ানের দূতের সঙ্গে সহযোগিতা করতে পারে।

মেজর সান বলেন, আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সরকার বাস্তবায়ন করবে; যদি সেটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য মঙ্গলজনক হয়।

১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এর পর থেকেই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে রয়েছে দেশটি। গত বছরের নভেম্বরে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া অং সান সু চির দলকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করায় সামরিক শাসনের বিরোধিতায় রাজপথে নামে সু চির সমর্থকরা।

এখন পর্যন্ত দেশটিতে চলমান বিক্ষোভে অন্তত ৭৭৪ জনকে হত্যা করেছে সরকারি বাহিনী। ধরপাকড়ের শিকার হয়েছে তিন হাজার ৫০০-এরও বেশি মানুষ।

ওই অভ্যুত্থানের পর আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য বিদেশ সফরে ইন্দোনেশিয়ায় গিয়েছিলেন মিয়ানমারের জান্তা প্রধান। সেখানে নিজ দেশে সহিংসতার অবসান ঘটানো এবং আসিয়ানের একজন প্রতিনিধির নেপিদো সফরের ব্যাপারেও একমত প্রকাশ করেন তিনি। তবে শুক্রবার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্রের বক্তব্যে এটা স্পষ্ট যে, আসিয়ান সম্মেলনে দেওয়া অঙ্গীকার থেকে পিছু হটেছে দেশটির জান্তা সরকার।

advertisement