advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জয়দেবপুর-বনমালা বিকল্প সড়ক
ঈদের আগেই কাজ শেষ করতে চান মেয়র

গাজীপুর প্রতিনিধি
১২ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১১ মে ২০২১ ২১:৩৬
advertisement

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের যানজট এড়িয়ে ঢাকা যেতে জয়দেবপুর থেকে টঙ্গীর বনমালা পর্যন্ত বিকল্প সড়কটি এলাকাবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মহাসড়কের গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ চলছে কয়েক বছর ধরে। এতে ওই সড়কে গাজীপুর অংশে প্রতিদিন তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। তাই ঈদের আগেই গাজীপুর শহরের সুকন্দিরবাগ ব্রিজ থেকে টঙ্গীর বনমালা রেলগেট পর্যন্ত সড়কটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তুলতে কাজ চলছে দিন-রাত। সকাল কিংবা গভীর রাত, রাস্তার কাজ দেখতে হাজির গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম। উদ্দেশ্য নগরবাসীকে ঈদের যানজট থেকে রক্ষা করা। প্রয়োজনে রাস্তার কাজে ব্যবহৃত সয়েল কম্পোক্টরের স্টিয়ারিং হাতে তুলে নেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজে সয়েল কম্পোক্টর মেশিন চালিয়ে যান। ইতোমধ্যে সয়েল কম্পোক্টর মেশিনে চালকের আসনে বসা মেয়রের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়ায়।

জানা গেছে, গাজীপুর শহরের সুকন্দিরবাগ ব্রিজ থেকে টঙ্গীর বনমালা রেলগেট পর্যন্ত রেললাইনের পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছিল। সম্প্রতি জয়দেবপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত রেললাইন ডাবল হওয়ার কারণে রেলওয়ে তাদের জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করে ডাবল রেললাইন নির্মাণকাজ শুরু করে। এতে হাজার হাজার মানুষের বিকল্প পথে টঙ্গী হয়ে ঢাকায় যাওয়ার রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় মেয়র রাস্তার পাশের জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে রাস্তাটি প্রশস্তকরণের উদ্যোগ নেন। জমির মালিকরাও স্বেচ্ছায় জমি দিতে রাজি হন। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম এ বিকল্প রাস্তাটি দ্রুত তৈরির জন্য সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগকে নির্দেশ দেন।

এর পরই কিছু দিন ধরে রেললাইনের পূর্ব পাশে গভীর খাদ বালি দিয়ে দিন-রাত ভরাট করে সয়েল কম্পোক্টর দিয়ে সমতল করা হচ্ছে।

মেয়র জানান, টঙ্গীর বনমালা রেলগেট থেকে সুকন্দিরবাগ ব্রিজ পর্যন্ত বিকল্প এ রাস্তাটি টঙ্গী থেকে গাজীপুর শহরে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এটি নগরীর যানজট এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আর ঈদের আগেই বিকল্প সড়ক চালুর চেষ্টা চলছে। এটির কাজ দ্রুত শেষ করতে দিন-রাত চেষ্টা করছে সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ।

advertisement