advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পবিত্র ঈদুল ফিতর
শারীরিক দূরত্ব রক্ষা করার বিকল্প নেই

১২ মে ২০২১ ০০:০০
আপডেট: ১১ মে ২০২১ ২১:৫৩
advertisement

মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের দিনটি অশেষ তাৎপর্য এবং মহিমায় অনন্য। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে শাওয়ালের বাঁকা চাঁদ নিয়ে আসে পরম আনন্দ ও খুশির ঈদ। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারীতে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষ কষ্টে আছে। তা সত্ত্বেও ঈদের সময়টা ভালোভাবে কাটুক- এটি সাধারণ প্রত্যাশা। তবে পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিক নয়, তখন কোভিড-১৯ সংক্রমণ এড়ানোর লক্ষ্যে বাড়তি সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা অবশ্যই প্রয়োজন।

নাগরিকদের নিজেদের স্বার্থে নিজ নিজ দায়িত্বে চলাচল সীমিত রাখা এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখায় উচিত। প্রকৃতপক্ষে নিজেদের স্বাস্থ্য ও জীবনের সুরক্ষা বিষয়টি এখন নাগরিকদের নিজের সতর্কতা এবং দায়িত্ববোধের ওপরই অনেকাংশে নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। এ জন্য যিনি যে স্থানে অবস্থান করছেন, তিনি সেখানেই ঈদুল ফিতর উদযাপনের চেষ্টা করুন। সব নাগরিকের প্রতি আমরা এ আহ্বান জানাই, বিশেষত যারা ঢাকাসহ সর্বাধিক সংক্রমিত এলাকাগুলোয় রয়েছেন। এভাবে নিজেদের ঝুঁকিমুক্ত রাখার পাশাপাশি অন্যদের সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে। দ্বিতীয়ত, গণপরিবহন ব্যবহারের সময় অনিবার্যভাবে মাস্ক ব্যবহার করা এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিথিলতা অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

বলার অপেক্ষা রাখে না, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কাজকর্ম বন্ধ থাকায় অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। নিম্নআয়ের মানুষ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সমস্যাপীড়িত। অনেকের ঘরে নেই দুমুঠো অন্নের সংস্থান। ঈদ মূলত ধর্মীয় বিধিবিধানের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস নেয় এবং পরস্পরের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শিক্ষা দেয়। তাই আসুন, আমরা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই। যেহেতু কোভিডের ভারতীয় ধরনও বাংলাদেশে পাওয়া গেছে, সেহেতু সংক্রমণ এড়ানোর জন্য মানুষে মানুষে সংস্পর্শ এড়ানো, শারীরিক দূরত্ব ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। ঈদ উৎসবের সময় এটি বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার।

advertisement