advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চীনে জনসংখ্যা বৃদ্ধি সাত দশকে সবচেয়ে কম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১২ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১১ মে ২০২১ ২২:১৫
advertisement

চীনের জনসংখ্যা বৃদ্ধি গত সাত দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম দেখা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত সরকারি আদমশুমারিতে এ চিত্র উঠে এসেছে। গত কয়েক দশকে শিশুজন্ম কমে যাওয়ায় ১৯৫০ সালের পর বর্তমানে জনসংখ্যার প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে কম পরিলক্ষিত হয়েছে। খবর বিবিসি।

চীনে গত দশ বছরে গড়ে বার্ষিক জন্মহার ছিল ০.৫৩% যা ২০০০ থেকে ২০১০ সালের চেয়ে কম। ২০০০-২০১০ সাল- এই দশ বছরে বার্ষিক জন্মহার ছিল ০.৫৭%। দেশটিতে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা ১.৪১ বিলিয়ন। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই দেশটিতে ১৯৭০ সালে এক সন্তান নীতি গ্রহণ করে। এর ফলে দেশটিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমতে শুরু করে। গতকাল প্রকাশিত ২০২০ সালের শুমারিতে চীনের মূল ভূখ-ের জনসংখ্যা ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ১৪১ কোটিতে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে। চীনে প্রতি এক দশকে একবার আদমশুমারি হয়। ১৯৫৩ সালে দেশটিতে আধুনিক জনগণনা শুরুর পর এটাই সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি। সর্বশেষ এ আদমশুমারিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশে গর্ভধারণের হার দেখা গেছে নারীপ্রতি এক দশমিক ৩; এই সংখ্যা জাপান ও ইতালির কাছাকাছি। এ অবস্থা চীনের জন্য নেতিবাচক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ দেশটিতে ইতোমধ্যে বয়সী মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কর্মক্ষমদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় এসে ২০১৬ সালে চীন এক সন্তাননীতি থেকে সরে এসে দুই সন্তান গ্রহণ নীতি পাস করে। এতে ২০২০ সালে জনসংখ্যা ১৪২ কোটির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল চীন সরকার। কিন্তু গতকালের শুমারিতে দেখা যায়- সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটিতে চাকরি ও স্বাধীনতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া এবং জীবনমানের খরচ বেশি হওয়ায় দম্পতিরা সন্তান নেওয়ায় আগ্রহ কম দেখায়। এ কারণে আসন্ন দিনগুলোতে এ খাতে প্রণোদনা দেওয়ার চাপ বাড়বে বেইজিংয়ের ওপর।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রধান নিং জিঝে প্রকাশিত শুমারি নিয়ে বলেছেন, চীনের জনসংখ্যা সামনেই চূড়ার সর্বোচ্চ বিন্দুতে পৌঁছাবে, যদিও ঠিক কবে পৌঁছাবে তা অনিশ্চিত। ধারণা করা হচ্ছে, নিকট ভবিষ্যতেও জনসংখ্যা ১৪০ কোটির বেশিই থাকবে।

advertisement