advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সা’দত আলি আখন্দের মৃত্যু

১২ মে ২০২১ ০০:০০
আপডেট: ১১ মে ২০২১ ২২:২৮
advertisement

সা’দত আলি আখন্দ। একাধারে যিনি প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। ১৮৯৯ সালের ১ জুলাই বগুড়া জেলার সদর থানার অন্তর্গত চিংসাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা সানিউদ্দিন আখন্দ ও মা করিমুন্নেছা। সা’দত আলি বগুড়ার করোনেশন স্কুল থেকে ১৯১৬ সালে প্রবেশিকা, ১৯১৮

সালে কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে আইএ এবং ১৯২০ সালে রাজশাহী গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে বিএ অনার্স ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বগুড়া সারিয়াকান্দি নারছি হাইস্কুল, মহিমাগঞ্জ ও বাগবাড়ি হাইস্কুলে শিক্ষকতাও করেন। ১৯২২ সালের শেষ দিকে তিনি পুলিশ বিভাগে যোগ দেন। কলকাতার ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চে কর্মরত অবস্থায় তিনি আইন কলেজে ভর্তি হন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষা দিয়ে ১৯৩৩ সালে ল ডিগ্রি অর্জন করেন। কিন্তু তিনি আইন পেশায় না থেকে পুলিশ বিভাগে দারোগা পদে ৩৩ বছর দায়িত্ব পালন করে ১৯৫৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

পুলিশ বিভাগের প্রতিকূল পরিবেশে চাকরি করেও সাহিত্যের প্রতি তার একটা স্বাভাবিক আকর্ষণ ছিল। তরুণ মুসলিম (১৯২৮) শীর্ষক প্রবন্ধ-গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি লেখালেখির জগতে প্রবেশ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি পাশ্চাত্য সাহিত্যেরও একজন মনোযোগী পাঠক ছিলেন। কলকাতায় অবস্থানকালে সওগাত ও বুলবুল পত্রিকায় তিনি লিখতেন। এ সূত্রে আবদুুল করিম সাহিত্যবিশারদ, মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন, কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী নজরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ, কবি জসীমউদদীন, আবুল ফজল, সুফিয়া কামাল প্রমুখের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সা’দত আলি আখন্দের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হচ্ছে ইতিহাসের শহীদ (১৯৩৫), অতীত ও বর্তমান (১৯৩৬), মোহাম্মদ বিন কাসিম (১৯৩৬), ওসমান খাঁ (১৯৩৬), দায়ূদ খাঁ (১৯৩৬), তেরো নম্বরে পাঁচ বছর (১৯৬৯) ও অন্যদিন অন্য জীবন (১৯৬৯)।

তার প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত সব রচনা ইতোমধ্যে বাংলা একাডেমি থেকে সা’দত আলি আখন্দ রচনাবলি (২০০৯) নামে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা একাডেমি ১৯৯০ সাল থেকে ‘সা’দত আলি সাহিত্য পুরস্কার’ প্রদান করছে। ১৯৭১ সালের আজকের দিনে বগুড়ায় সা’দত আলি মারা যান।

advertisement