advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পাতি নেতাও আঙুল ফুলে কলাগাছ

মির্জা ফখরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুন ২০২১ ২৩:০০
advertisement

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আশপাশে তাকিয়ে দেখবেন- আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, বড় নেতা, ছোট নেতা, পাতি নেতা রাতারাতি সব আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে। এদের হাতে যদি দেশ বেশি দিন থাকে তাহলে এই দেশের অস্তিত্ব থাকবে না, এ দেশ টিকবে না। ক্ষমতাসীন

দলের একজন এমপি কিছুদিন আগে পার্লামেন্টে বলেছেন, বড় চোরদের চুরি দেখে ছোট চোররা এখন লজ্জা পাচ্ছে। বড় চোর হচ্ছে ওদের মন্ত্রী, বড় বড় নেতা। করোনা মানুষের জীবন নিয়ে যাচ্ছে- যেখানে বাঁচা-মরার প্রশ্ন, সেখানেও তারা চুরি করছে। টেস্টে চুরি, মাস্কে চুরি, পিপিইতে চুরি, ডাক্তার-নার্সদের টাকা দেওয়ার বেলায় চুরি, আইসিইউর বেডে চুরি। শেষ পর্যন্ত হাসপাতালও উধাও হয়ে গেছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী-এমপি, নেতাদের অপকর্মের কথা বলতে গিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী ?উপলক্ষে এই আলোচনাসভা হয়।

মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপি নেতা ফজলুল হক মিলন, আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ইশরাক হোসেন, নবী উল্লাহ নবী, হাবিবুর রশীদ হাবিব প্রমুখ।

জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ দলের নেতাকর্মীদের জন্য ‘গর্ব’ উল্লেখ করে তা অনুসরণ করার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, এখন আর সময় নেই। আগামী দিনে শক্ত হয়ে দাঁড়াই নিজেদের পায়ে, দাঁড়িয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আসি। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করি। দাবি একটাই- চলে যাও, চলে যাও, রেহাই দাও বাংলাদেশকে।

গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, আজকে দলের নেতাকর্মীরা জেলখানায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বন্দিবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশের মাটিতে। এমনি অবস্থায় আমরা ভার্চুয়ালি ও এমনি আলোচনার মধ্য দিয়ে কথাই বলে যাচ্ছি। এখন কথা বলার চেয়ে বেশি জরুরি সরকারকে পতন কীভাবে করাব। সেই পতনের ডাক দেন। আরেকটি ইতিহাস সৃষ্টি করব।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, আন্দোলনের ডাক আসলে আমি নব্বইয়ের চেতনায় ঘোষণা দিতে চাই, হাসিনার পতন ছাড়া ঘরে ফিরব না। এভাবে সকলের প্রস্তুতি নিন।

হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ঢাকা মহানগরের থানা ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দকে বলব, সারাদেশের মানুষ ঢাকার দিকে তাকিয়ে আছে। প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড সংগঠনের শক্তি বাড়ান। আগামীতে এই শক্তি নিয়ে আমাদের মাঠে নামতে হবে।

advertisement