advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

অগ্নিকন্যা লীলা নাগের প্রয়াণ

আমাদের সময় ডেস্ক
১১ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুন ২০২১ ২৩:০৮
advertisement

লীলাবতী নাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী। তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া সাংবাদিকতা করেছেন এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সহকারীর দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৭০ সালের ১১ জুন উপমহাদেশের নারী সমাজের জাগরণের এই অগ্রদূত, অগ্নিকন্যা

লীলা নাগ পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।

আসামের গোয়ালপাড়া শহরে ১৯০০ সালের ২ অক্টোবর লীলার জন্ম। ১৯০৫ সালে আসামের দেওগড় বিদ্যালয়ে লীলার শিক্ষাজীবন শুরু। ১৯১৭ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতার বেথুন কলেজে ভর্তি হন। কলেজে পড়ার সময়ে বড়লাটের পত্নীকে নতজানু হয়ে অভিবাদন জানানোর প্রথা বাতিলের আন্দোলনে দিয়েছিলেন নেতৃত্ব।

১৯১৯ সালে ২০ টাকা বৃত্তি পেয়ে আইএ পাস করেন লীলা। এরপর ১৯২১ সালে বেথুন কলেজ থেকেই করেন বিএ পাস। পরীক্ষায় তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করায় পান ‘পদ্মাবতী’ স্বর্ণপদক। একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে এমএ করার জন্য ভর্তি হন। তার অদম্য ইচ্ছা ও জেদের কারণে ঢাবিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল সহশিক্ষা।

শিক্ষাজীবন শেষ করে লীলা নারীশিক্ষার জন্য ১২ জনকে নিয়ে গড়ে তোলেন ‘দীপালি সংঘ’। এর মাধ্যমে তিনি দীপালি স্কুল ও আরও ১২টি অবৈতনিক প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। নিখিল ভারত মহিলা সম্মেলনে বাংলার নারী আন্দোলনের ইতিহাস বলার সময় লীলা মঞ্চে ওঠেন। নেতাজির অনুরোধে তার প্রকাশিত ইংরেজি সাপ্তাহিক ফরওয়ার্ড ব্লকের সম্পাদনার ভার নেন লীলা। ভারতবর্ষে বিনাবিচারে আটক হওয়া প্রথম নারী রাজবন্দিও তিনি।

১৯৬৪ সালে পূর্ববাংলা বাঁচাও কমিটির আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে পুলিশ লীলা নাগকে গ্রেপ্তার করে। ১৯৬৬ সালে ছাড়া পাওয়ার পর তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। আড়াই বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১৯৭০ সালে মারা যান তিনি। -

advertisement