advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চমক দেখাতে পারে তুরস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক
১১ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুন ২০২১ ২৩:১৯
advertisement

গত বছর ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন হওয়ার কথা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে তা আয়োজিত হতে পারেনি। আজ তুরস্ক-ইতালির ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠতে চলেছে ইউরো ২০২০-এর। ইতোমধ্যেই বাছাইপর্বে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে তুরস্ক। তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি তরুণ ফুটবলাররা এবং রক্ষণভাগ। বাছাইপর্বের ১০ ম্যাচে মাত্র তিনটিতে গোল হজম করেছে তুর্কিরা। তাদের রক্ষণ কতটা শক্তিশালী তা বোঝাতে এ তথ্যটুকুই যথেষ্ট। বাছাইপর্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে চমকে দেয় দলটি। আজ ইতালির বিপক্ষেও চমক দেখাতে পারে দলটি।

গত মার্চে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আরেক চমক। নেদারল্যান্ডসকে তুরস্ক হারায় ৪-২ গোলে। এর পর আর্লিং হাল্যান্ডের নরওয়েকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে তারা। তিনটি জয়ই বলে দিচ্ছে আক্রমণভাগেও যথেষ্ট শক্তি আছে তুর্কিদের। সব শেষ ২০০৮ ইউরোতে চমক দেখিয়েছে তুরস্ক। ওই আসরের সেমিফাইনালে উঠেছিল তারা। এবারের আসর তাদের জন্য সুদিন ফেরানোর চ্যালেঞ্জ। আর এই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া তুরস্ক। এবারের আসরে ডার্ক হর্স বলা হচ্ছে এই দলকে। তাদের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশক ধরে কোচ রয়েছেন শেনল গুনেস। সেই গুনেস, যার প্রশিক্ষণে ২০০২ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল হাকান সুকুরদের তুরস্ক। এবার তাদের বড় ভরসা ফরাসি লিগ চ্যাম্পিয়ন লিলের ফুটবলার, অধিনায়ক বুরাক ইলমাজ। এ ছাড়া ওজান কাবাক, ইয়োকুসলু, হাকান চালানোলুর মতো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও ইতালির সিরিএতে খেলা এক ঝাঁক ফুটবলার রয়েছে দলে। ইতালিকে আজ বেকায়দায় ফেলতে পারে ইলমাজরা।

অন্যদিকে ইতালি গত বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি! যা অনেককেই হতবাক করে দিয়েছিল। ইতালিজুড়ে বিক্ষোভ চলেছিল। এবারের ইউরো কাপে ইতালি নামছে আহত বাঘের মতো। বিশ্বকাপের টিকিট না পাওয়া ইতালির ফুটবলারদের আভিজাত্যের ওপর আঘাত ছিল। সেই কলঙ্ক এবার মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে ভোলাতে চাইবে ইতালি। প্রমাণ করতে চাইবে, বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়াটা নিতান্তই এক অঘটনের অধ্যায় ছিল। কোচ রবার্তো মানচিনির অধীনে ইতালি ছক ভাঙা ফুটবল খেলছে। ইতালি বরাবর পরিচিত তাদের রক্ষণের জন্য। পাওলো মালদিনিদের দেশের ফুটবল দর্শনই ছিল, বিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে রাজত্ব করতে না দেওয়া। তাই ধরে রেখেছে ইতালি। একটি গোলও করতে পারলে রক্ষণকে আরও দুর্ভেদ্য করে গড়ে তোলে ইতালি। যদিও সেই ধারণার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন মানচিনি। কোচ হয়ে এসে আগ্রাসী ফুটবলে জোর দিয়েছেন। মানচিনির ইতালি ৪-৩-৩ ছকে খেলছে। ভীষণ আগ্রাসী স্ট্র্যাটেজি। আর এই ছকে খেলে টানা ১১ ম্যাচ জিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে ইতালি। ইতালির আক্রমণে রয়েছেন লোরেঞ্জো ইনসিনিয়ের মতো ছন্দে থাকা তারকা। গোল করতে ও করাতে সমান পারদর্শী তিনি। সেই সঙ্গে থাকছেন চিরো ইমমোবিলে এবং ফেদেরিকো বের্নাদেস্কি। মাঝমাঠে ভরসা মার্কো ভেরাত্তি। রক্ষণের অতন্দ্র প্রহরী লিয়োনার্দো বোনুচ্চি। গোলকিপার ছন্দে থাকা জিয়ানলুইজি দনারুমা। কোচ হিসেবে মানচিনি বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে দেওয়ায় জোর দেন। যাতে প্রতিপক্ষ ক্রমে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে থাকে। সব মিলিয়ে এ গ্রুপ থেকে পরের পর্বে যাওয়ার ব্যাপারে ফেভারিট ইতালি। এ ম্যাচেও তুরস্কের বিপক্ষে ফেভারিট তকমা নিয়েই মাঠে নামবে তারা।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শহর

স্টেডিয়াম ও ধারণক্ষমতা

ষ লন্ডন, ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম- ৯০,০০০

ষ রোমা, স্টাডিও অলিম্পিকো- ৭০,৬৩৪

ষ মিউনিখ, অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনা- ৭০,০০০

ষ বাকু, অলিম্পিক স্টেডিয়াম- ৬৮,৭০০

ষ সেইন্ট পিটার্সবার্গ, ক্রেসতভস্কি স্টেডিয়াম- ৬৮,১৩৪

ষ বুদাপেস্ট, পুসকাস অ্যারেনা- ৬৭,২১৫

ষ সেভিয়া, লা কুতোর্জা- ৬০,০০০

ষ বুখারেস্ট, অ্যারেনা ন্যাশনালা- ৫৫,৬০০

ষ আমস্টারডাম, ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনা- ৫৪,৯৯০

ষ গ্লাসগো, হ্যাম্পডেন পার্ক- ৫১,৮৬৬

ষ কোপেনহেগেন, পার্কেন স্টেডিয়াম- ৩৮,০৬৫

advertisement