advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জাল মুক্তিযোদ্ধা সনদ
সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ২২ জুন ২০২১ ২৩:৪২
advertisement

সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রদীপ কুমার শর্মার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার সনদ জালিয়াতির মামলার চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আরিফ সাদেক জানান, সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রদীপ কুমার শর্মার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৫ জুলাই দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকে ৩০ বছর চাকরি শেষ করে অবসর যাওয়ার পর দুদকের তদন্ত প্রমাণিত হয় মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে চাকরি নিয়েছিলেন। এ কারণে চাকরিকালীন সময়ে বেতন-ভাতা ও ঋণ বাবদ নেওয়া প্রায় দেড় কোটি টাকা ফেরত দিতে হবে।

দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামি প্রদীপ কুমার শর্মা সোনালী ব্যাংকে ১৯৮৩ সালে সিনিয়র অফিসার পদে আবেদন করেন। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় করা আবেদনে

নিজের বয়স ২৯ বছর ৪ মাস উল্লেখ করেন। তিনি ১৯৮৪ সালের ১০ জুলাই সিনিয়র অফিসার পদে যোগদান করে ২০১৪ সালের ৩০ জুন ডিজিএম হয়ে ৬০ বছর বয়সে অবসরে যান। ৩০ বছরের চাকরি জীবনে সোনালী ব্যাংক থেকে বেতন বাবদ ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ৭৯৪ টাকা, উৎসব বোনাস বাবদ ১৬ লাখ ১২ হাজার ৫২৩ টাকা এবং গৃহ নির্মাণ ঋণ, গাড়ি ও কম্পিউটার ঋণ বাবদ ৪৬ লাখ ১২ হাজার ৮৬৬ টাকা উত্তোলন করেন প্রদীপ কুমার। সব মিলিয়ে তিনি ১ কোটি ৩১ লাখ ৫৭ হাজার ১৮৩ টাকা উত্তোলন করেন। তিনি ৩০ বছর চাকরি শেষ করে অবসর যাওয়ার পর প্রমাণ হলো মুক্তিযোদ্ধার জাল সনদে সোনালী ব্যাংকে চাকরি নিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ২৩তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রদীপ কুমার শর্মাকে চাকরিকালীন বেতন-ভাতাসহ ভোগ করা অর্থ ফেরত দিতে হবে।

advertisement