advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পুলিশ সদস্যসহ ৩ আসামির মৃত্যুদ- বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ২২ জুন ২০২১ ২৩:৪২
advertisement

সিলেট নগরীর শাহ মীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদ (৯) হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদ- বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। আসামিরা হলেন সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাকিব, পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা। গতকাল মঙ্গলবার এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

২০১৫ সালের ১১ মার্চ শিশু আবু সাঈদ অপহৃত হয়। অপহরণের তিন দিন পর ১৪ মার্চ নগরীর ঝর্ণারপাড়

সোনাতলা এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন। চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাকিব, পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা ও ওলামা লীগ নেতা মাহিব হোসেন মাসুম।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মাসুমকে খালাস দিয়ে বাকি তিনজনকে মৃত্যুদ- দেন সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। পরে মৃত্যুদ-াদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। অপরদিকে আসামিরাও আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে রায়ের জন্য ২০ জুন দিন ধার্য করা হয়। আবু সাঈদ সিলেট নগরীর রায়নগর শাহ মীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ও রায়নগর দর্জিবন্দের বসুন্ধরা ৭৪ নম্বর বাসার আবদুল মতিনের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার এড়ালিয়া বাজারের খশিলা এলাকায়।

advertisement