advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

এনবিআরের কাছে নীতিগত সহায়তা চায় বিজিএমইএ

২৪ জুন ২০২১ ০১:১১
আপডেট: ২৪ জুন ২০২১ ০১:১১
advertisement



পোশাকশিল্পে কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়করসংক্রান্ত নীতি সহায়তা প্রদানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানিয়েছে বিজিএমইএ। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের নেতৃত্বে বিজিএমইএর একটি প্রতিনিধি দল গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেগুনবাগিচাস্থ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি, সাবেক সভাপতি মো. সফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন) এমপি, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি মো. শহিদউল্লাহ আজিম, সহসভাপতি মো. নাসির উদ্দিন, সহসভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক আসিফ আশরাফ, পরিচালক মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা (কায়সার) ও সাবেক পরিচালক মো. মুনির হোসেন প্রমুখ। সভায় বিকেএমইএর প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও জাতীয় রাজস্ব
বোর্ডের পক্ষ থেকে সদস্য (আয়কর নীতি) মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য (শুল্ক নীতি) সৈয়দ গোলাম কিবরীয়া, সদস্য (ভ্যাট নীতি) মো. মাসুদ সাদিক ও সদস্য (ভ্যাট বাস্তবায়ন ও আইটি) ড. আব্দুল মান্নান শিকদার উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনাকালে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, করোনা মহামারীতে পোশাকশিল্প ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছে। এ পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে শিল্পকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়করসংক্রান্ত নীতি সহায়তা প্রদান করা হলে তা শিল্পকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করবে।
সভায় সার্বিকভাবে পোশাকশিল্পে বিদ্যমান কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়করসংক্রান্ত ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকালে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল পোশাকশিল্পের জন্য অত্যন্ত জরুরি কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়করসংক্রান্ত কিছু প্রস্তাবনাও উত্থাপন করেন। রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, উত্থাপিত প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে যৌক্তিকতা অনুযায়ী সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল কর্তৃক উত্থাপিত প্রস্তাবনা বিজিএমইএ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধি সমন্বয়ে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের বিষয়ের সাথে একমত পোষণ করে বলেন যে, কমিটি গঠিত হলে তা পোশাকশিল্পে বিরাজমান কাস্টমস, আয়কর ও ভ্যাটসংক্রান্ত ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করতে পারে। তিনি প্রতিনিধি দলের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আরও বলেন যে, ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাদ দেওয়া যাবে না। তবে সব প্রতিষ্ঠান যদি নিয়মিতভাবে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করে, তবে অতিরিক্ত কোনো প্রত্যয়নপত্র লাগবে না বলে ইতোমধ্যে রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।

 

advertisement