advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

আট দিনে ঢাকা ছাড়ে ১ কোটি ৫ লাখ সিমধারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ জুলাই ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২১ ১২:১১ এএম
advertisement

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিধিনিষেধ শক্তভাবে বাস্তবায়ন হলে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষের বড় একটি অংশকে বেশ কিছুদিন গ্রামে থাকতে হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীদের দেওয়া হিসাব পর্যালোচনা করলে তাই মনে হচ্ছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ১৫ জুলাই থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আট দিনে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মোবাইল অপারেটরদের গ্রাহকের একটি হিসাব তুলে ধরেন। এতে দেখা যায়, এই আট দিনে ১ কোটি ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৬৮৩ সিমধারী ঢাকা ছাড়েন। আর ঈদুল আজহার পরের দিন গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফেরেন ৮ লাখ ২০ হাজার ৫১৬ সিমধারী। যদিও বাস ট্রেন লঞ্চে যে যেভাবে পারছেন, আগের দিন রওনা দিয়ে গতকাল সকালে গ্রাম থেকে ঢাকায় পৌঁছেছেন। সেই হিসাবে ঢাকায় ফেরা মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। হিসাব ঠিক থাকলেও এবার কঠোরভাবে বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করা হলে বিপুলসংখ্যক মানুষকে গ্রামে থাকতে হবে।

গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে ১৪ দিনের বিধিনিষেধ। সরকার এবারের এই বিধিনিষেধকে কঠোরতম লকডাউন বলে অভিহিত করছে। এই বিধিনিষেধকালে ওষুধ, কৃষি প্রক্রিয়াজাত ও খাদ্য এবং চামড়া প্রক্রিয়াজাতকারী কারখানা ছাড়া সব কলকারখানা বন্ধ থাকবে। জরুরি সেবা ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে না।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, একজন গ্রাহকের একাধিক সিম থাকতে পারে। ফলে সিমসংখ্যা দিয়ে ঢাকা ছাড়া মানুষের প্রকৃত সংখ্যা বোঝা যায় না। মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএর হিসাবে, দেশে মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ১৭ কোটির বেশি। তাদের মধ্যে ইউনিক ইউজার ৫৪ শতাংশ। এর মানে, দেশে প্রকৃত মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটির কিছু বেশি। ঢাকা ছেড়ে যাওয়া সিমসংখ্যার ক্ষেত্রে ‘ইউনিক ইউজার’ হারটি বিবেচনায় নিলে বলা যায়, ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছে প্রায় ৫৬ লাখ ৭০ হাজার মানুষ। ফিরেছে ৪ লাখ ৪৩ হাজার। অবশ্য এ হিসাবে মুঠোফোন ব্যবহারকারী নন এমন ব্যক্তি ও শিশুরা আসেনি।

গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরে মানুষ কোনো যানবাহন না পেয়ে বিপাকে পড়ে। সকালে ঢাকার ফার্মগেট, পান্থপথ, গ্রিন রোড, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, রিং রোড, আদাবর, ধানমন্ডি, পান্থপথ, শাহবাগ এলাকায় হাতে গোনা কয়েকটি রিকশা ছাড়া আর কোনো যানবাহন ছিল না। যার কারণে মালপত্র নিয়ে মানুষজন হেঁটে গন্তব্যে গেছেন।

advertisement