advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কের জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব
প্রকল্পের কাজে অগ্রগতি নেই

মো. রোমান আকন্দ, শরীয়তপুর
২ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১ আগস্ট ২০২১ ১০:৩০ পিএম
advertisement

শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়ক উন্নয়নে সরকার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাড়ে ৮শ কোটি টাকারও বেশি। ইতোমধ্যে ৪টি গ্রুপে এ কাজের দরপত্র আহ্বান করে দুটি গ্রুপকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় কাজের অগ্রগতি হচ্ছে না। কাজ শুরু করে আবার বন্ধ হয়ে গেছে। জেলা প্রশাসন বলছে, জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে এবং কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে।

শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়ক উন্নয়নে সরকার ২০২০-২১ অর্থবছরে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করে ৮৫৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে ৯৫ দশমিক ৮৫ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৭০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৪টি গ্রুপে এ কাজের দরপত্র আহ্বান করেছে। দুটি গ্রুপে কার্যাদেশ দিয়েও জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় কাজের অগ্রগতি হচ্ছে না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মেসার্স অটি বিএল, মেসার্স অটি বিএল জেবি হাসান টেকনো, মেসার্স মীর হাবিবুর আলম। আলুর বাজার ফেরিঘাটের কাছে ১ নম্বর ও মনোহর বাজারের কাছে ৪ নম্বর গ্রুপের কাজ। ৪ নম্বর গ্রুপের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর হাবিবুর আলম গত ডিসেম্বর কার্যাদেশ পেয়ে কাজ শুরু করেন। মাত্র দুই কিেিলামিটার সাববেজ-২ কাজ করেন তিনি। বর্তমানে কাজ বন্ধ। সেখানে জমি অধিগ্রহণ না থাকায় কাজ করতে পারছে না জানিয়েছেন ঠিকাদার। ১ নম্বর গ্রুপের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। ফলে গ্রুপটি কাজ শুরুই করতে পারছে না। তবে সড়ক জনপথ সূত্র বলছে, জমি অধিগ্রহণে ২২টি প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে একটি মাত্র চূড়ান্ত হয়েছে। চারটি প্রস্তাব চূড়ান্ত প্রাক্কলনের পর্যায়ে রয়েছে। ৪টি যৌথ তদন্ত হয়েছে। বাকিগুলো যৌথ তদন্তের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ কাজ শেষ করা খুবই জরুরি। কেননা, সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ভারী যানবাহনসহ সব ধরনের যানবাহন এ সড়কে চলাচল করে থাকে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম কাটিয়ে উঠে পুরোদমে কাজ শুরু করতে না পারলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবে না। এতে কাজের ক্ষতি হবে, তেমনি নির্মাণসামগ্রীর দাম দিন দিন বেড়ে যাবে। সড়কটি খারাপ থাকলে জনদুর্ভোগও বেড়ে যাবে।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মহিবুল্লাহ বলেন, ৪ নম্বর গ্রুপের কাজ শুরু হয়েছিল। দুই কিলোমিটার সাববেজ-২ শেষ করার পর জমি অধিগ্রহণ না থাকায় কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেদোয়ানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ করা হলে সড়ক উন্নয়নের কাজ পুরোদমে শুরু করা হবে।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। এ কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে।

advertisement