advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

থাই প্রধানমন্ত্রীকে হটাতে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২ আগস্ট ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১ আগস্ট ২০২১ ১১:২০ পিএম
advertisement

করোনা ভাইরাস মহামারীর বিস্তার সামালে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান ওচার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন দেশটির হাজার হাজার মানুষ। রবিবার রাস্তায় রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি এবং মোটরসাইকেলে করে সরকারবিরোধী এ বিক্ষোভ করেছেন তারা। রয়টার্স।

মহামারী শুরু হওয়ার পর বর্তমানে সর্বোচ্চ প্রাদুর্ভাবের বিরুদ্ধে লড়ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দেশটি। রাজধানী ব্যাংককে গাড়ির এবং মোটরসাইকেলের চালকরা উচ্চ হর্ন বাজিয়ে ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’ সিনেমায় অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে তিন আঙুল উঁচিয়ে স্যালুট দেন।

ব্যাংককের প্রাণকেন্দ্রের গণতন্ত্র স্মৃতিস্তম্ভ থেকে যাত্রা শুরু করে তারা ২০ কিলোমিটার দূরের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত বিক্ষোভ করেন। সরকারের দমনের আশঙ্কায় ৪৭ বছর বয়সী এক বিক্ষোভকারী পুরো নাম প্রকাশে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, আমরা সবেমাত্র জীবিকা নির্বাহ শুরু করেছি। কিন্তু আমার পরিবারের সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেছেন, সরকার সঠিক সময়ে টিকা দিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং আমাদের অনেকেই এখন পর্যন্ত টিকার কোনো ডোজই পাননি। আমরা যদি রাস্তায় বেরিয়ে আমাদের দাবি না জানাই, তা হলে সরকার কেবল আমাদের উপেক্ষাই করবে।

করোনা ভাইরাস মহামারীতে বিপর্যস্ত থাইল্যান্ডের অন্যান্য প্রদেশেও রবিবার একই ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। চলতি বছর শেষের আগেই ৫ কোটি মানুষকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দেশটি। কিন্তু এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ডের মোট ৬ কোটি ৬০ লাখ জনসংখ্যার মাত্র ৫ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষকে টিকার সম্পূর্ণ ডোজ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশটির প্রায় ২১ শতাংশ মানুষকে করোনা ভাইরাসের টিকার অন্তত এক ডোজ দেওয়া হয়েছে।

রবিবারও থাইল্যান্ডে নতুন করে ১৮ হাজার ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ১৩৩ জন। এ নিয়ে দেশটিতে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ১৫ হাজার ৩১৪ জন এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৯৯০ জন।

এর আগে শনিবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসে মৃতদের দেহ রাখার স্থান সংকুলান না হওয়ায় রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতাল হিমায়িত কনটেইনারে মরদেহ রাখতে শুরু করেছে। করোনায় উপচেপড়া এসব মরদেহ ২০০৪ সালে দেশটিতে আঘাত হানা ধ্বংসাত্মক সুনামির সময় ভয়াবহ স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনছে। মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি কখনই হয়নি এশিয়ার এ দেশটি।

advertisement