advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বিদ্রোহী কবির নীরবতা ও পিকস ডিজিজ

ড. রাশিদুল হক
৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:৪৪ পিএম | আপডেট: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:৪৬ পিএম
advertisement

নজরুল যেমন ছিলেন বিদ্রোহের তূর্যবাদক, তেমনি ছিলেন সাম্য-মানবতার কবি ও প্রেমের কবি। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক। কবির জীবনকাল ৭৭ বছরের, কিন্তু সেই সময়ের অজানা এক অসুস্থতায় বাংলা সাহিত্যের এই প্রতিভাধর মহামানব তার বাকশক্তি ও স্মৃতি হারিয়ে ১৯৪২ সাল থেকে সৃষ্টিশীল জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কবির সক্রিয় জীবনের অবসান ঘটে মাত্র বিয়াল্লিশ বৎসর বয়সে।

১৯৪২ সালের পরেও তার কাব্যগ্রন্থ ‘নতুন চাঁদ’ (১৯৪৫), সঞ্চয়নসহ (১৯৫৫) বেশকিছু কাব্যগ্রন্থ ও নাটক প্রকাশিত হয়। কিন্তু, তখন নজরুল আর আত্মস্থ ছিলেন না। কবিকে চিরতরে নির্বাক করে দেয়া সেই ‘পিকস’ (Pick’s disease) রোগের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যাসহ কবির দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা, বাকশক্তি এবং স্মৃতিশক্তিহীনতা ধীরে ধীরে তাঁকে কিভাবে সৃষ্টিশীল জগৎ থেকে দূরে নিয়ে গিয়েছিলো তা সংক্ষেপে এখানে তুলে ধরা হলো, এবং এই লিখাটি পত্রিকায় প্রকাশের জন্য যিনি সবচেয়ে আমাকে উৎসাহ প্রদান করেছেন তিনি হলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা, বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী ডালিয়া নওশীন।

পিকস ডিজিজ বা ফ্রন্টো-টেম্পোরাল ডিমেনশিয়া (Fronto-Temporal Dementia: FTD) অনেকের কাছে খুব একটা পরিচিত রোগ নয়। এই অসুখটি হলো এক প্রকারের নিউরোডিজেনেরেটিভ (Neurodegenerative) বা স্নায়বিক অবক্ষয়মূলক রোগ- যেমন, পারকিনসন’স, আলঝেইমার্স, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস এবং প্রাইয়োন রোগ। আবিস্কারক প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আর্নল্ড পিকের নাম অনুসারে এই রোগটির নামকরণ করা হয়েছিল -বর্তমানে এই রোগটি ‘FTD’ হিসেবেও পরিচিত। সাধারণত ৬০ বছরের কম বয়সী লোকেরা এই রোগে আক্রান্ত হন। যদিও পিকস রোগের প্রারম্ভিক সূত্রপাত অনেক আগেও হতে পারে। পিকস রোগের কারণে মস্তিষ্কের দুটি অঞ্চল আক্রান্ত হয়: একটি হলো মস্তিষ্কের সম্মুখভাগে ফ্রন্টাল (Frontal) লোবে অবস্থিত ‘ব্রোকা’র এলাকা (Brocha’s area), যা আমাদের বাকশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে, এবং অপরটি হলো মস্তিষ্কের পার্শ্বীয় এলাকা বা টেম্পোরাল (temporal) লোবে অবস্থিত হিপোক্যাম্পাস (hippocampus), যা স্বল্প-স্থায়ী স্মৃতির তথ্যসমূহকে একত্র ক’রে দীর্ঘ-স্থায়ী স্মৃতিতে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কাজটিতে এসিটিলকোলাইন (acetylcholine) নামক একটি স্মৃতিধারক-প্রোটিনের ভূমিকাও অনেক। পিকসজনিত স্নায়বিক অবক্ষয়মূলক রোগের কারণে যে প্রধান লক্ষণসমূহ দেখা যায় তা হলো বাকশক্তি হ্রাস (aphasia), অস্থিরতা, উদাসীনতা এবং স্মৃতিভ্ৰংশতা (amnesia)।

পিকস রোগের প্রকৃত জিনগত কারণ বর্তমানে বিজ্ঞানীদের নিকট অনেকটাই  জানা, যদিও এই রোগের প্রতিকার নিয়ে যুগান্তকারী কোনো উন্নয়ন ঘটেনি। গবেষণায় এটি নিরূপিত যে, পিকস রোগটি মস্তিষ্কের প্ল্যাক বা ‘টাউ’ প্রোটিন-সংশ্লিষ্ট একটি রোগ, যা অনেকটা আলঝেইমার্স রোগের মতো। ‘টাউ (Tau)’ প্রোটিন হলো কোষের সূক্ষ্মতন্তুসমূহের (microtubules) গাঠনিক উপাদান, যা এক্ষেত্রে নিউরোন বা স্নায়ুকোষগুলিকে কাঠামগতভাবে শক্ত ও স্থিতিশীল করে রাখে। পিকস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্রোকা ও হিপোক্যাম্পাস-এর স্নায়ুকোষগুলিতে ‘টাউ’ প্রোটিনের গাঠনিক পরিবর্তন হবার ফলে পিণ্ডাকার দলা পেকে যায়, যাকে নিউরোফিব্রিলারী ট্যাংঙ্গল (Neurofibrillary tangles) বলে। মানবকোষের ৯ এবং ১৭ নম্বর ক্রোমোজোমে অবস্থিত C9orf72 (chromosome 9 open reading frame 72) এবং প্রোগ্রানুলিন  (GRN) জিনগুলিতে মিউটেশনের ফলে TDP-43 নামক একটি প্রোটিনের অস্বাভাবিক পুঞ্জীভবনের কারণে বাকশক্তিকে রোধ করে ফেলে (www.theaftd.org)। মানবকোষের ১৭ নম্বর ক্রোমোজোমে অবস্থিত MAPT (microtubule associated protein tau) জিনের মিউটেশন বা পরিবর্তনের কারণে ব্রোকা ও হিপোক্যাম্পাস অঞ্চলটির স্নায়ুকোষগুলিতে ‘টাউ’ প্রোটিন ধীরে ধীরে জমা হতে থাকে। আবার, 'Cyclin-Dependent Kinase 5 (CDK5) বা সিডিকে-৫ নামক এনজাইম দ্বারা বেশিমাত্রায় ‘ফোসফোরিল গ্রুপ’ সংযুক্ত হবার কারণে (hyperphosphorylated) ‘টাউ’ প্রোটিন তন্তুসমূহের সাথে সংযোগ করতে সক্ষম হয় না, ফলে তন্তুগুলি অস্থিতিশীল হয়ে যায় এবং ভেঙে যেতে শুরু করে।

গত তিন দশকে পিকস বা FTD রোগ নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। গবেষণায় এখন দেখানো হচ্ছে যে, এই রোগটি সচরাচর দেখা যায় না বটে, তবে জিনগতভাবে এই রোগ উচ্চমাত্রায় বংশানুক্রমিক (American Academy of Neurology, ScienceDaily, 4 November 2009)। ভিন্ন একটি গবেষণা প্রমান করেছে যে পিকস রোগ ২০ থেকে ৫০% ক্ষেত্রে পারিবারিক এবং রোগের উদ্রেককারী তিনটি জিনের (MAPT, GRN এবং C9orf72) মিউটেশনগুলি পরিবারে ৬০% রোগীদের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় (Olszewska et al., Curr Neurol Neurosci Rep v.16, 2016)। অতিরিক্ত স্ট্রেস বা মানসিক চাপ পিকস-সংশ্লিষ্ট জিনগুলির মিউটেশনের কারণ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আক্রান্ত রোগীদের স্নায়ুকোষগুলিতে সক্রিয় তন্তুসমূহের সংখ্যা কমতে থাকে, স্নায়ুকোষগুলি ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং অবশেষে কোষগুলির মৃত্যু ঘটে (আমরা জানি, স্নায়ুকোষের একবার মৃত্যু ঘটলে তা আর নতুন স্নায়ুকোষের জন্ম দেয় না)। এছাড়া, পিকস রোগে ‘টাউ’ প্রোটিনের গাঠনিক পরিবর্তনের কারণে এসিটিলকোলাইন প্রোটিনেরও কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে, বুদ্ধিমত্তা ও অণুধাবনের ক্ষমতাও হ্রাস পেতে থাকে। রোগের অবনতির সঙ্গে রোগীর অস্থিরতা, বাকশক্তি হ্রাস, অভিব্যক্তিশূন্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতিভ্রংশতা দেখা দেয়। 

কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসুস্থতা নিয়ে আমরা অযৌক্তিক অনেক কথাই শুনেছি। তবে, তার পিকস স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হবার সত্য ঘটনাটি হয়তো অল্প সংখ্যক মানুষেরই জানা আছে। তাছাড়া, পিকস রোগটি নিয়ে দেশের পত্র-পত্রিকায় বড় আকারে লেখা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। ১৯৪২ সালে কবির এই অসুস্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পুরোদমে চলছিল। তিনি সেই সময়ে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের প্রতিষ্ঠিত দৈনিক পত্রিকা ‘নবযুগ’-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে কাজ করছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বেতারেও কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। সে সময় নানান কারণে তার মানসিক চাপও ছিল প্রকট। তাছাড়া, বাল্যজীবন থেকেই তিনি রূঢ় বাস্তবতার সঙ্গে সম্যকভাবে পরিচিত হন। কবিপত্নী প্রমীলা দেবী ১৯৩৯ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। তার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তিনি গ্রামোফোন রেকর্ডের রয়্যালটি ও তার সাহিত্যকর্ম মাত্র ৪০০ টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন (Kamal S, 2000. ‘Kazi Nazrul Islam: A Chronology of Life’, Nazrul Institute)। তার অর্থনৈতিক ও মানসিক দুরূহ অবস্থায় ১৯৪১ সালের ৮ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর খবর শুনে নজরুল মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়েন।  নজরুল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিতে দুটি কবিতা রচনা করেন - ‘রবিহারা’ ও ‘সালাম অস্তরবি’। রবীন্দ্রনাথের সাথে নজরুলের এক নিবিড় সম্পর্ক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ছিল। রবীন্দ্রনাথ ১৯২৩ সালে নজরুলকে তার ‘বসন্ত’ গীতিনাট্যটি উৎসর্গ করেন এবং উল্লসিত নজরুল জেলখানায় বসে কবিগুরুকে ধন্যবাদ জানিয়ে ‘আজ সৃষ্টির সুখের উল্লাশে’ কবিতাটি লিখেছিলেন (Kazi Nazrul Islam, দ্য ডেইলি স্টার, ২৫ মে,২০১৫) এবং তার কাব্য ‘সঞ্চিতা’ রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন।  রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে নজরুল একটি গানও রচনা করেছিলেন: ‘ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবি রে জাগায়ো না জাগায়ো না, সারা জীবন যে আলো দিল ডেকে তার ঘুম ভাঙায়ো না।’

অসুস্থ নজরুল স্থানীয়ভাবে কিছু চিকিৎসা সেবা পেয়েছিলেন, তবে সেগুলি যথাযথ এবং পর্যাপ্ত ছিল না। তিনি রাঁচির এক মানসিক হাসপাতালেও কিছুটা সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার এই রোগটি ক্রমাগত এবং দ্রুততার সঙ্গে অগ্রসর হয়েছিল।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন কবিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইউরোপে পাঠানো সম্ভব হয়নি। তবে, নজরুল চিকিৎসা কমিটির (১৯৫২ সালে সংগঠিত) সহায়তায় কবিকে ১৯৫৩ সালে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে পাঠানো হয়েছিল। তার সঙ্গে অসুস্থ কবিপত্নী প্রমীলা দেবীও ছিলেন। লন্ডনে রোগটির নির্ণয় নিয়ে সেখানকার ডাক্তারদের মধ্যে গুরুতর মতবিরোধ দেখা দেয়। একজন চিকিৎসক ডা. রাসেল ব্রেইনসহ বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ প্রাথমিকভাবে এই রোগটির নির্ণয় নিয়ে কাজ করছিলেন। ‘এয়ার-এনসেফালোগ্রাফি (Air-Encephalography)’ নামক মস্তিষ্কের একটি রেডিওগ্রাফি রিপোর্টে মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোবের সঙ্কুচিত হবার বিষয়টিও পরিলক্ষিত হয়েছিল। লন্ডনে কবির রোগটি সঠিকভাবে নির্ণয় করা হয়নি, বলা হয়েছিল যে নজরুল ‘ইনভল্যুশনাল সাইকোসিস বা মনোব্যাধি’ রোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন। মস্তিষ্কে সার্জারি নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে দ্বিমত থাকায় কবিকে ভিয়েনার (অস্ট্রিয়া) প্রখ্যাত এক নিউরোসার্জন ডা. হ্যান্স হফের কাছে পাঠানো হয়। ডা. হফ ছিলেন নোবেল বিজয়ী জুলিয়াস ওয়াগনার-জৌরেগের একজন ছাত্র।

ভিয়েনায় মস্তিষ্কের ‘সেরিব্রাল অ্যাঞ্জিওগ্রাফি (cerebral angiography)’ করার পরেই ডা. হ্যান্স হফ নিশ্চিতভাবে বলেছিলেন যে, কবি ‘পিক্‌স ডিজিজ’ নামক একটি নিউরনঘটিত সমস্যায় ভুগছেন, ইনভল্যুশনাল সাইকোসিস নয় এবং তাঁর মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল ও পার্শ্বীয় লোব অনেকটাই সংকুচিত হয়ে গিয়েছিলো। ডা. হফ কবির মস্তিষ্কে অপারেশন না করার সিদ্ধান্ত নেন, যেহেতু প্রকৃত চিকিৎসা গ্রহণে দেরি হয়ে যাবার কারণে তার আরোগ্য লাভের কোনো সুযোগ ছিল না। কবি তারপরেই ইউরোপ থেকে কলকাতায় ফিরে আসেন।

১৯৬২ সালে ৩০ জুন প্রমীলা দেবী মারা যান। বাঙালির সব আবেগ, অনুভূতিতে জড়িয়ে থাকা বিদ্রোহী কবি তার তেজদীপ্ত সৃষ্টিযাত্রার মাঝপথে অতর্কিতভাবে হয়ে গেলেন নীরব। যে সময় আমাদের প্রিয় কবি পিকস রোগে আক্রান্ত হন, তখন এই রোগটির জেনেটিক্স সমন্ধে মোটেই ধারণা ছিল না, ছিল না রোগ নির্ণয়ের জন্য শক্তিশালী এমআরআই (MRI) ইমেজিং টেকনোলজি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নয়নের ফলে পিকস রোগ শনাক্ত ছাড়াও পিকস/FTD রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির বংশধরদের পিকস রোগের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত জিনের ক্লিনিক্যাল জেনেটিক টেস্টিং করার সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে (www.theaftd.org)।

১৯৭১ সাল-স্বাধীনতার বছর। কলকাতার ক্রিস্টোফার রোডে অবস্থিত (যতদূর মনে পড়ছে) কাজী সব্যসাচীর একটি ফ্ল্যাট বাড়িতে কবিকে দেখার আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এবং চুপচাপ একে অপরের দিকে তাকিয়ে কিছুটা সময় তার সঙ্গে বসে থাকাটাই যেন ছিল আমার জীবনের সার্থকতা। পাশে বসে থাকা আমার সেই উপলব্ধি, তার সেই স্মৃতি, সেই গান ‘কেন কাঁদে পরান, কি বেদনায় কারে কহি’ আমার কাছ থেকে আজও হারিয়ে যায়নি।

লেখক : প্রফেসর ড. রাশিদুল হক, সাবেক উপ-উপাচার্য, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী এবং সাবেক অধ্যাপক, এমোরি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব মেডিসিন, আটলান্টা, যুক্তরাষ্ট্র, ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।

advertisement