advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গাড়ি-মোবাইল-প্রসাধনী বক্স ফেরত চাইলেন পরীমনি

আদালত প্রতিবেদক
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:২৪ | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:৩১
পরীমনি। পুরোনো ছবি
advertisement

জব্দ হওয়া গাড়ি, মোবাইল, প্রসাধনীর বক্স জিম্মায় চাইলেন ঢাকাই চলচ্চিত্র নায়িকা পরীমনি। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালতে তিনি এসব নিজ জিম্মায় চেয়ে আবেদন করে বক্তব্য রাখেন। এর আগে এদিন মাদক আইনের ওই মামলায় পরীমনি বেলা পৌনে ১১টার দিকে কালো রঙের একটি গাড়িতে আদালতে আসেন।

অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী পরীমনির সাদা রঙের গাড়ি, মোবাইল, ল্যাপটপসহ অন্যান্য প্রযয়োজনীয় জব্দ হওয়া জিনিসপত্র চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘আমরা আদালতে দুইটি আবেদন করেছি। একটি পরীমনির ব্যবহৃত সাদা গাড়িটি জিম্মায় নেওয়ার এবং আরেকটি হচ্ছে তার মোবাইল ল্যাপটপসহ জব্দ করা অন্যান্য জিনিসপত্রের। এগুলো পরীমনির নিজের ব্যবহৃত জিনিস। অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এগুলো জব্দ করে। সেজন্য আমাদের কাছে কোনো ডকুমেন্ট নেই। যেহেতু তিনি একজন অভিনেত্রী। অন্ততপক্ষে গাড়িটি যেন তার জিম্মায় দেওয়া হয়।’

এরপর পরীমনি আদালতকে বলেন, ‘গাড়িটি আমার। গাড়ির সকল কাগজপত্র আমার কাছে আছে। গাড়িটি না থাকায় আমি চলাচলে খুব সমস্যা বোধ করছি। মোবাইলের কারণে আমি কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারছিনা। জব্দ হওয়া প্রসাধনীর বক্সটি আমার খুব প্রয়োজন। এ ছাড়াও চাবির বক্স রয়েছে। এগুলো আমার খুব প্রয়োজন। আমি অনুরোধ করছি এগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।’

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন আমার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে, তখন সব ড্রয়ার ও আসবাবপত্র তছনছ করে ফেলে। এমনকি প্রেসক্রিপশনসহ আমার ওষুধের বক্সটা পর্যন্ত তারা নিয়ে যায়। আমার গাড়িসহ অন্যান্য জিনিসের কোনো কাগজপত্র আমার কাছে নেই। বাসায় আমি ছাড়া আর আমার কোনো কিছুই নেই।’

শুনানি শেষে বিচারক তদন্ত কর্মকর্তাকে বিআরটিএ থেকে গাড়ির সঠিক মালিকানা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। শুনানি শেষ হওয়ার পর দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আদালত থেকে চলে যান পরীমনি।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বিকালে বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর আবারও ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২১ আগস্ট আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন তিনি কারামুক্ত হন।

advertisement