advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

অর্থ আত্মসাৎ
এহসান গ্রুপের মামলা তদন্তে সিআইডি

পিরোজপুর প্রতিনিধি
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৫ এএম
advertisement

প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে পিরোজপুরে দায়ের হওয়া মামলাগুলো তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে সিআইডি। মামলার যাবতীয় কাগজপত্র গত রবিবার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা আজাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা সিআইডি তদন্ত করবে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই মামলার তদন্তের

দায়িত্ব সিআইডিকে দেওয়া হয়েছে।’

এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত পাঁচটি মামলা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা। এসব মামলায় প্রতিষ্ঠানটির গা ঢাকা দেওয়া চেয়ারম্যান মুফতি মাওলানা রাগীব আহসান ও তার তিন ভাইকে গত ৯ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পিরোজপুর সদর থানার পুলিশ। এ বিষয়ে মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, তাদের পিরোজপুর সদর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রাগীব আহসান এরই মধ্যে এহসান গ্রুপের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে ১৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদে রাগীব ও তার ভাইদের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে সব কিছু এখনই জানানো সম্ভব নয়।’ আজ মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করা হতে পারে।

সুদবিহীন শরিয়তসম্মত বিনিয়োগে উচ্চ মুনাফা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষকে এহসান গ্রুপের গ্রাহক করতেন মাওলানা রাগীব আহসান। এ কাজের জন্য তিনি বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন এবং মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়োগ দিতেন ফিল্ড অফিসার হিসেবে। অন্যদিকে এহসান গ্রুপে আমানত রাখার জন্য ধর্মভীরু মানুষকে প্রলুব্ধ করতে দেশ-বিদেশের আলেম উলামাদের এনে ওয়াজ মাহফিল করাতেন। এভাবে পিরোজপুর, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের লক্ষাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে এককালীন ও মাসিক কিস্তিতে আমানত নিয়ে রাগীব আহসান ও তার সহযোগীরা ১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়েছে বলে অভিযোগ।

advertisement
advertisement