advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পুরস্কার ঘোষণা করে হতাশ হতে চান না সালাউদ্দিন, থাকছে ‘অকল্পনীয়’ কিছু

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৫৩ পিএম | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:৩২ পিএম
ছবি : বাফুফে
advertisement

কাজী সালাউদ্দিন চতুর্থ মেয়াদে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের বাইরে বেশ কয়েকটি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। সবকটি টুর্নামেন্টে ফুটবলারদের হতাশাজনক পারফরম্যান্স সমালোচনায় ফেলেছে ফেডারেশনকে। টুর্নামেন্টেগুলোর শুরু আগে কিংবা মাঝামাঝি সময়ে বড়সড় পুরস্কার ঘোষণা করেও ফলাফল সন্তোষজনক না হওয়ায় এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে কোনো পুরস্কার ঘোষণা করতে চাচ্ছেন না সালাউদ্দিন। তবে চ্যাম্পিয়ন হলে থাকছে ‘অকল্পনীয়’ কিছু।

সবশেষ ২০০৩ সালে সাফের শিরোপা ঘরে তুলেছিল বাংলাদেশ। এরপর থেকে এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ভরাডুবি চলছেই। এরই মধ্যে চারবার বাফুফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধারের কথা বলেলেও তাতে সফল হয়নি সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিটি। বারবার সাফে হতাশার পরও এবার বড় কিছুর আশা দেখছে বাংলাদেশ।

সাফের কথা মাথায় রেখে নতুন কোচ নিয়োগ দিয়েছে ফেডারেশন। তার অধীনে অধরা শিরোপাটি ঘরে তুলতে চায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শিরোপা জিতলে কোনো পুরস্কার থাকবে কি না এমন প্রশ্নে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘আমি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য অনেক বড় কিছু চিন্তা করেছি। কিন্তু সেটা আমি ঘোষণা করবো না। কারণ, আমি যতবার পুরস্কার ঘোষণা করেছি ততবারই রেজাল্ট পাইনি। সেটা (পুরস্কারের বিষয়) আমার এখানে (হৃদয়ে) আছে। আমি বিষয়টি মনের মধ্যে রেখেছি। ওরা যদি চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে যা পাবে তা আশাও করতে পারবে না, স্বপ্নেও ভাবতে পারবে না।’

নতুন কোচকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘কোচের সঙ্গে ৩-৪টা মিটিং হয়েছে। ওর টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন-এগুলো নিয়ে। এরপর কোচকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তুমি কোন কৌশলে দলকে খেলাতে চাও। বলেছিলাম, দেখ খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে আমার তো কিছু অভিজ্ঞতা আছে। ট্যাকটিক্যাল দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা যে বিষয়গুলো আলাপ করেছিলাম, তার আর আমার বিষয়গুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিলে। একটা-দুটি জায়গা এদিক-ওদিক ছিল। আমার বিষয়গুলো ওকে বোঝালাম, বুঝল। সেও কিছু বিষয় আমাকে বোঝাল। ট্রেনিং ও খেলার কৌশলের দিক থেকে আমাদের মত একই রকম।’

‘একটা টুর্নামেন্টের জন্য ব্রুজনকে নেওয়া হয়েছে। কিংসের কাছ থেকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য তাকে ধার নেওয়া হয়েছে। ব্রুজনের একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হচ্ছে সে এই দলটাকে নিজের ভাবে। যেদিন ওর সঙ্গে আমাদের এই দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে, সেদিন থেকেই সে কাজে নেমে পড়েছে। আমার মনে হয় না, এরপর আর এগুলো নিয়ে কোচের সঙ্গে আমার কোনো কথা হবে। চার দিন কথা হয়েছে, এখন সে দল নিয়ে আছে। অতীতে যেটা আমি অন্য কোচদের মধ্যে পাইনি, যারা দলকে নিজের ভাবে’, যোগ করেন তিনি।

নতুন কোচের অধীনে প্রস্তুতি নিতে বড়সড় সমস্যা দেখছেন না সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘দুটো বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ। দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই কিংসের। আমার যদি সেরা একাদশের খেলোয়াড়দের মধ্যে কমপক্ষে চার পাঁচ জন কিংসের খেলোয়াড় থাকে...এর বাইরে যারা থাকবে, আমি মনে করি তারাও যথেষ্ঠ পরিণত। দলের ৫০ শতাংশ খেলোয়াড় যখন কোচের কৌশল আগে থেকেই জানে এবং বুঝে, তাহলে বাকিদের, বিশেষ করে জামাল ভূইয়ার মতো সিনিয়রদের না বোঝার কথা নয়। আসলে এর চেয়ে ভালো বিকল্প আমাদের ছিল না।’

সালাউদ্দিনের বিশ্বাস, ‘আমি আশাবাদী দলটা এবার ভালো করবে। অনেক যুদ্ধ-টুদ্ধ করে এই কোচকে এনেছি। দ্বিতীয় কথা, স্বপ্ন তো স্বপ্নই (দলের হাতে শিরোপা তুলে দেওয়া)। যখন হবে, তখন তো হবেই। আগে কি হয়েছিল, সেটা জানি না, রেজাল্ট যা হওয়ার, তাই হবে কিন্তু আমি মনে করি, কোচ বদল করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি মনে করেছি, এই পরিবর্তন দরকার ছিল।’

advertisement