advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রাবির সাবেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশনা ৬ সপ্তাহ স্থগিত

রাবি প্রতিনিধি
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:৪৮ পিএম | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:৪৮ পিএম
রাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহান। পুরোনো ছবি
advertisement

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের আমলে শিক্ষক নিয়োগে ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন সুপ্রিমকোর্ট। এটি আগামী ৬ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। আজ রোববার আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. ওবায়দুল হাসান এই স্থগিতাদেশ দেন।

কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পক্ষে মোবাশ্বের হোসেন দায়েরকৃত রিটের ছয় নম্বর বিবাদী রাবির সাবেক উপাচার্যের আবেদন ও তার ওপর শুনানীর পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন আদালত। অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। অপরদিকে রিট পিটিশনার ক্যাবের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসান দে আজিম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৫ মে রাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের ১৩৮ শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগ এবং ২০১৭ সালের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা বাতিল চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ক্যাবের পক্ষে স্থপতি মোবাশ্বের চৌধুরীর রিট আবেদন করেন। রিটে বিবাদী করা হয়, সরকারের পক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান, দুদকের চেয়ারম্যান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্র্রার ও সাবেক ভিসি প্রফেসর আব্দুস সোবহানকে। পিটিশনারের পক্ষে ১৩৮ নিয়োগ এবং ২০১৭ সালের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা বাতিল চাওয়া হয়।

ওই রিটের ওপর ৬ সেপ্টেম্বর শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসাইন মোল্লাহর দ্বৈত ডিভিশন বেঞ্চ পিটিশনারের আদেবদনক্রমে তিন নম্বর প্রতিপক্ষ দুদক চেয়ারম্যানকে রাবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছিল কিনা, তদন্ত করে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ৫ মে ১৩৮ নিয়োগ এবং ২০১৭ সালের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা তিন মাসের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন এবং আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, ‘হাইকোর্ট বিভাগ রাবির সাবেক উপাচার্যকে জড়িয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে যে আদেশ দিয়েছিল, আমরা আপিল বিভাগের চেম্বার জজের আদালতে তা স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিলাম। রবিবার আমাদের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত দুর্নীতি দমন কমিশননের ওপর হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা ছয় সপ্তাহের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছেন।’

advertisement