advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

তিন মাসে আসছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ডোজ
ব্যবস্থাপনায় নজরদারি রাখতে হবে

১৩ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২১ ১২:৩৩ এএম
advertisement

করোনার সংক্রমণ কমে আসছে। চলছে শারদীয় দুর্গা উৎসব। মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলায় অনীহা এসেছে। খুলে দেওয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার উপদ্রব আবার বাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব, অধিকসংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়ার বিকল্প নেই। এই প্রেক্ষাপটে দেশে আগামী তিন মাসে আরও ২ কোটি ৯৬ লাখ ডোজ করোনা ভাইরাসের টিকা আসছে। এর ভেতর ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ৫০ লাখ, আগামী ২৯ নভেম্বরের মধ্যে ১ কোটি ২৬ লাখ ও ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে আসবে ১ কোটি ২০ লাখ ডোজ।

ইতোমধ্যে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের বাকি চালানও আসতে শুরু করেছে। আগামী নভেম্বরের পর আরও ৬ কোটি টিকা ও সিরিঞ্জ কেনার প্রস্তুতি চলছে। প্রাপ্তিসাপেক্ষে দেশে টিকাদানের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে চারটি পরিকল্পনা। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে ভ্যাকসিন ডিপ্লয়মেন্ট কমিটি করোনার টিকা সংক্রান্ত এসব পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত টিকা এসেছে ৭ কোটি ২০ লাখ ২০ হাজার ৯৬০ ডোজ।

বলার অপেক্ষা রাখে না- করোনার টিকা পাওয়া নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা কিছুটা দূর হয়েছে। এর আগে যে পরিমাণ টিকা পাওয়া গেছে এবং যে পরিমাণ টিকা আসার পথে আছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় কম হলেও পরিস্থিতি এখন অপেক্ষাকৃত স্বস্তিদায়ক। গণটিকা কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা যদি দেখা দেয়, তা হলে পরিস্থিতি শোচনীয় আকার ধারণ করবে। তবে আশার কথা, বাংলাদেশ অতীতে টিকা কর্মসূচিতে সফল হয়েছে। তাই এ টিকা কর্মসূচি সফল করা অসম্ভব নয়- যদি সরকারের কঠোর নজরদারি থাকে। একই সঙ্গে টিকা প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকবল নিশ্চিত করতে হবে। যথাযথ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে টিকা সংরক্ষণ, পরিবহন ও প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না- এদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

advertisement