advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

দুই সপ্তাহ সময় পেলেন সেই শিক্ষিকা

আমিনুল ইসলাম,সিরাজগঞ্জ
১৩ অক্টোবর ২০২১ ০৮:৪১ পিএম | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২১ ১২:৩৩ এএম
অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন। পুরোনো ছবি
advertisement

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছে তদন্ত কমিটি। আগামী ২১ অক্টোবর দুপুর ১টায় উপস্থিত হয়ে কমিটি তার বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য বলেছে। এর আগে অভিযুক্ত শিক্ষিকা ইমেইলে তদন্ত কমিটির কাছে বারবার সময় আবেদন করেন। আজ বুধবার রবীন্দ্র অধ্যায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৩ অক্টোবর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহ প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে তদন্ত কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে গত রোববার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলে। সেদিন দুপুর ১২টায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন উপস্থিত না হয়ে ইমেইলে ১৪ দিনের সময় প্রার্থনা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে তিন দিনের সময় দেয় কমিটি।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত তার জন্য অপেক্ষা করলেও তিনি না এসে ই-মেইলের মাধ্যমে নিজের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে আরও দুই সপ্তাহের জন্য সময় আবেদন করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে এই সময় দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিমেল বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে দুই দফায় গত ৩ ও ৭ অক্টোবর দুপুর ১২টায় তদন্ত কমিটির কাছে তার বক্তব্য উপস্থাপন করার সময় দেওয়া হলেও তিনি মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে মেইলে আরও ১৪ দিনের সময় আবেদন করেন। তিনি এই মেইলটিই বারবার পাঠিয়ে সময়ের জন্য আবেদন করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি তাকে তার চাওয়া অনুযায়ী দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছেন। ৭ অক্টোবর থেকে হিসেব করে দুই সপ্তাহ পরে আগামী ২১ অক্টোবর দুপুর ১টায় আসার জন্য নতুন সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।’

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ব্যাপারে লায়লা ফেরদৌস হিমেল বলেন, ‘নানা বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’  ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে অনেকেই কেঁদে ফেলেন বলে জানান তদন্ত কমিটির প্রধান।

advertisement