advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কাদের মির্জার উপস্থিতিতে আ.লীগ নেতার ছেলেকে পিটিয়ে জখম

নোয়াখালীপ্রতিনিধি
১৪ অক্টোবর ২০২১ ১২:১৩ এএম | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২১ ০৭:০২ এএম
আহত ইমন চৌধুরী। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার উপস্থিতিতে এক আওয়ামী লীগ নেতার ছেলেকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার বিকেল চারটার দিকে বসুরহাট মা ও শিশু হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আরমান চৌধুরীর ছেলে ইমন চৌধুরী (১৮)। এ সময় হামলাকারীরা মা ও শিশু হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ ও পাঁচটি মোবাইলফোন ছিনিয়ে নিয়েছে অভিযোগ করেছেন আরমান চৌধুরী। খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা-পুলিশর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

আহত ইমনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হামলায় ইমন মাথা, পা ও হাতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করেছে পরিবার।

আরমান চৌধুরী জানান, বুধবার সকালে তার মেয়ে আজমা চৌধুরী বসুরহাট মা ও শিশু হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি সন্তান জন্ম দেন। তিনি মেয়েকে দেখে বেলা সাড়ে ৩টায় হাসপাতাল থেকে বের হন। একই সময় সেখানে বোনকে দেখতে যান তার ছেলে বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রলীগকর্মী ইমন চৌধুরী।

আরমান অভিযোগ করেন, হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার প্রায় পাঁচ মিনিট পর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা তিনটি গাড়িযোগে দলবল নিয়ে ওই হাসপাতালে যান। এ সময় কাদের মির্জার নির্দেশে তার সঙ্গে থাকা অনুসারীরা তার ছেলেকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেন। হামলাকারীরা তার মেয়ে ও ছেলের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ছিনিয়ে নেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এ ছাড়া লোক পাঠিয়ে কাদের মির্জা হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজও নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন আরমান চৌধুরী। এর আগে বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচনের সময়ও তাকে নানাভাবে কাদের মির্জা হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

আরমান চৌধুরী জানান, তিনি বসুরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদের প্রার্থী ছিলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের অনুসারী হওয়ার কারণে তার ওপর হামলার উদ্দেশ্যে কাদের মির্জা সেখানে যান। কিন্তু তাকে না পেয়ে তার ছেলের ওপর হামলা করেন বলে দাবি করেন।

এদিকে হামলার বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকার কল দিলেও তা রিসিভ করেননি মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, বসুরহাট মা ও শিশু হাসপাতালে আরমান চৌধুরীর ছেলের ওপর হামলার ঘটনা তিনি শুনেছেন। তাৎক্ষণিক সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

advertisement