advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

আজ মহানবমী
মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর আরাধনায় মগ্ন ভক্তকুল

চপল মাহমুদ
১৪ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২১ ০৭:২০ এএম
মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর আরাধনায় মগ্ন ভক্তকুল। অষ্টমীর ছবি
advertisement

ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে সূচনা ঘটে বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার। ষষ্ঠী তিথিতে অশ্বমেথ বৃক্ষের পূজার মাধ্যমে আহ্বান জানানো হয় দেবী দুর্গাকে। ঢাকঢোল আর কাঁসার বাদ্যে দেবীর বোধন পূজা শেষে মহাসপ্তমীর ভোরে কলাবউ স্নান, নবপত্রিকা প্রবেশ। দর্পণে দেবীকে মহাস্নান, চক্ষুদানে দেবীর মৃণ্ময়ীতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা ও সপ্তমীবিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সপ্তমী তিথি। গতকাল ছিল মহাষ্টমী। এদিন সকাল ৮টা ৫৯ মিনিটে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর মহাষ্টমী কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ দিন নতুন কাপড় পরে বাহারি সাজে মন্দিরে মন্দিরে দেবীকে পুষ্পাঞ্জলি দেন ভক্তরা।

রীতি অনুযায়ী অষ্টমীবিহিত পূজা শেষেই হয় ‘কুমারী পূজা’। মূলত দুর্গাপূজার অষ্টমী তিথিতে মহামায়ার ষষ্টক অর্থাৎ ৬ বছরের কুমারী রূপ উমার পূজা করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, যে ত্রিশক্তির বলে ব্রহ্মা- সৃষ্টি-স্থিতি-লয়ের চক্রে আবর্তিত হচ্ছে, সেই শক্তি বীজ আকারে কুমারীতে নিহিত। সেই বিশ্বাস থেকেই দেবী দুর্গার কুমারীরূপের আরাধনা করা হয়। এটি একাধারে ঈশ্বরের উপাসনা, মানববন্দনা এবং নারীর মর্যাদার প্রতিষ্ঠা। নারীর সম্মান, মানুষের সম্মান আর ঈশ্বরের আরাধনাই কুমারী পূজার শিক্ষা। তবে চলমান

মহামারী পরিস্থিতির কারণে এ বছরও রাজধানী ঢাকায় হয়নি অষ্টমীর মূল আকর্ষণ কুমারী পূজা। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি বলেন, দুর্গাপূজার প্রায় প্রতিদিনই মন্দিরে মন্দিরে প্রচুর জনসমাগম হয়। অষ্টমী তিথিতে কুমারী পূজার সময় এই জনসমাগম জনসমুদ্রে রূপ নেয়। এ জন্য চলমান করোনা পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে গত বছরের মতো এ বছরও ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশনসহ রাজধানীর কোনো মন্দিরেই কুমারী পূজার আয়োজন করা হয়নি। তবে রাজধানীর বাইরে অনেক জায়গায় কুমারী পূজা হয়েছে।

সাধারণত অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে করা হয় সন্ধিপূজা। মহাষ্টমীর রাত ১১টা ৫৪ মিনিট থেকে শুরু হয়ে সন্ধিপূজা সমাপ্ত হয় রাত ১২টা ৪২ মিনিটে। মহাষ্টমীর দুপুরে মণ্ডপে মণ্ডপে করা হয় প্রসাদ বিতরণ। আজ বৃহস্পতিবার বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে মহানবমীর আরাধনা। শুক্রবার বিজয়া দশমীতে দর্পণ বিসর্জনের পর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

advertisement