advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নিত্যপণ্যের বাজারে অস্বস্তি
চাপে আছে সাধারণ মানুষ

১৬ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২১ ১০:০৩ পিএম
advertisement

করোনাকালে মানুষের আয় কমে গেছে। অনেকে চাকরি হারিয়েছেন। যাদের চাকরি আছে, তাদেরও বেতন বা মজুরি কমেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এ অবস্থায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে তা সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপের সৃষ্টি করে। দুঃখের বিষয়, দেশে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে। বিশেষ করে পেঁয়াজ, তেল ও চিনির দাম দিন দিন লাগামছাড়া হয়ে উঠছে।

জরিপ বলছে, মহামারীতে মানুষের গড় আয় কমেছে ২০ শতাংশ। ফলে বর্তমান দাম যদি স্থিতিশীলও থাকে, তার পরও সাধারণ মানুষের চলা দায় হয়ে যাবে। এর মধ্যে আরেক দফা মূল্যবৃদ্ধি কোনোমতেই কাম্য হতে পারে না।

‘সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার কাজ করছে’ এ ধরনের কথাবার্তা মন্ত্রীদের মুখে প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু সেই সিন্ডিকেটের চেহারা-চরিত্র কী, সেটি জানা যায় না। সিন্ডিকেট বরাবর অধরাই থেকে যায়। সরকারের কর্তাব্যক্তিরা যতই বলেন বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দেবেন, ততই তারা আরও সংহত হয়। কোনো পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে গেলে মন্ত্রী-আমলাদের কিছু তৎপরতা দেখা যায়। কোথাও কোথাও ব্যবসায়ীদের আড়তে অভিযান চলে, কোনো কোনো খুচরা ব্যবসায়ীর জেল-জরিমানাও হয়। কিন্তু রাঘববোয়ালরা আড়ালে থেকে যান।

ব্যবসায়ীদের মুনাফালিপ্সু অংশের কারসাজি বন্ধ করতে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। প্রথমত, চাহিদামাফিক বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা থাকলে পণ্যের দাম বাড়ে। দ্বিতীয়ত, ব্যবসায়ীরা যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সেজন্য মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

সবচেয়ে বড় কথা, বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে নজরদারির কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা কমিশনের কার্যক্রমও দৃশ্যমান হওয়া দরকার।

advertisement
advertisement