advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ই-কমার্সে আস্থা ফেরাতে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার

ই-ক্যাব আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২১ ০২:৩৪ এএম
advertisement

ই-কমার্স খাতে গ্রাহকের আস্থা ফেরাতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ই-ক্যাব আয়োজিত ‘ই-কমার্স পলিসি টক ফর অ্যাড্রেসিং ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভলুশন’ অনুষ্ঠানে এ অভিমত জানান বক্তারা।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ই-কমার্সে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে তা এক বছর আগেই টের পেয়েছিলাম। ব্যাপারটি নিয়ে ই-ক্যাবের সঙ্গে আমাদের কথাও হয়েছিল। তবে আমরা চাই ব্যবসা ভালোভাবে চলুক। সরকার তাদের সহায়তা করবে।’

প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যানের বক্তব্যের শেষে বক্তাদের পক্ষ থেকে প্রাইস ডাম্পিংয়ের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কমিশনকে আরও শক্ত নজরদারি ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা তৈরির আহ্বান জানান ই-কমার্স মালিকরা।

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার বলেন, ‘পরোক্ষ ৮০ লাখ পরিবার এখন ই-কমার্সের সঙ্গে জড়িত। আমরা চাই না গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের দায়ভার সবার ওপরে পড়ুক, দেশের সম্ভাবনাময় এ সেক্টর নষ্ট হোক। এ জন্য এখন সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় খুব জরুরি। উদ্যোক্তাদের সুরক্ষার পাশাপাশি ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে সবার কাজ করার বিকল্প নেই।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ই-কমার্সে যেটি ঘটেছে তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। আমরা যখন ডেলিভারি সিস্টেমসহ অন্য বিষয়গুলো দ্রুত করা নিয়ে কাজ করছিলাম, তখনই এমন কাণ্ডে নিজেরাও অনেকটা সংকুচিত হয়ে গেছি।’

আইসিটি বিভাগের এটুআইয়ের হেড অব ই-কমার্স রেজওয়ানুল হক জামি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ডের ফলে ই-কমার্স সেক্টর এক বছরের মতো পিছিয়ে গেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আগামীর ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ই-কমার্সের বিকল্প নেই।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের ডিজিএম রাফেজা আক্তার কান্তা বলেন, ‘এস্ক্রো মডেল মেনে নেওয়া ছাড়া ভবিষ্যতে ই-কমার্সে ব্যবসা করা দুরূহ হবে। তবে এস্ক্রো সার্ভিসটি যেহেতু নতুন, সুতরাং এখানে বেশ কিছু বিষয় সংযোজন করতে হবে।’ এস্ক্রো সার্ভিসের মাধ্যমে যে টাকা পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে আছে তা গ্রাহককে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আজকের ডিলের সিইও ফাহিম মাসরুর বলেন, ‘দেশের বিদ্যমান যে ভ্যাট-ট্যাক্স পলিসি আছে, সেটি অনলাইন ব্যবসার জন্য সহায়ক নয়। ই-কমার্সে ব্যবসা করলে উন্নত বিশ্বে যেখানে ভ্যাট-ট্যাক্স কম দিতে হয়, সেখানে এখানে ট্রাডিশনাল বিজনেস থেকে আরও কয়েকগুণ ভ্যাট-ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারকে ভাবতে হবে। নইলে আগামীতে অনলাইনে ব্যবসা করা উদ্যোক্তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

advertisement
advertisement