advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

লক্ষ্মীপুরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুর
১৯ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২১ ১১:২৬ পিএম
advertisement

লক্ষ্মীপুরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বিসিআইসি ডিলারদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে সার বিক্রি না করে চড়া দামে অন্যত্র বিক্রিরও অভিযোগ করছেন চাষিরা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ডিলাররা বলছেন, নির্ধারিত মূল্য ও এলাকার বাইরে গিয়ে কোনো সার বিক্রি করা হচ্ছে না। অন্যদিকে সার কারসাজি ও কৃষকদের হয়রানির প্রমাণ পেলে ডিলারদের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন জেলা কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পাঁচটি উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়ন, চারটি পৌরসভায় বিসিআইসি ও বিএডিসির সার ডিলার রয়েছেন ৯০ জন। এর বাইরে খুচরা ডিলার রয়েছেন ৪৪৭ জন। ২০২০-২১ অর্থবছরে ইউরিয়া, টিএসপিসহ অন্যান্য সারের চাহিদা রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার টন। এবার জেলার পাঁচটি উপজেলায় আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৬ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে, যা গত বছরের চেয়ে ৫ হাজার হেক্টর বেশি। ৮১ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের আশা করছে কৃষি বিভাগ।

এদিকে কৃষকরা অভিযোগ করেন, প্রান্তিক চাষিদের সুবিধার্থে সরকার প্রতিটি এলাকায় ডিলার নিয়োগ করেছে। এখান থেকে খুচরা ডিলার ও প্রান্তিক কৃষকরা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার কেনার কথা; কিন্তু তা হচ্ছে না। প্রতিকেজিতে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৪-৭ টাকা বেশি দরে সার কিনতে হচ্ছে। এতে ধানের উৎপাদনখরচ বাড়ার আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত এসব বিষয়ে ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন চাষিরা। রামগতির বড়খেরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাসান মাহমুদ নিজাম বলেন, ডিলাররা একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সারগুলো অন্যত্র বিক্রি করে দেন। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিলারের কাছে খুচরা বিক্রেতা ও কৃষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রামগতির ডিলার মো. শাখাওয়াত হোসেনসহ কয়েক ডিলার বলেন, নির্ধারিত মূল্য ছাড়া ও এলাকার বাইরে গিয়ে কোনো সার বিক্রি করা হচ্ছে না। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করা হচ্ছে। একটি গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা ষড়যন্ত্রের শিকার। লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন বলেন, জনবল সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে মনিটরিং করা যাচ্ছে না। তার পরও সার কারসাজি ও কৃষকদের হয়রানির প্রমাণ পেলে ডিলারদের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

advertisement
advertisement