advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কান্নার জন্য ঘর

আমাদের সময় ডেস্ক
১৯ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২১ ০১:৫৪ এএম
advertisement

ঘরের সামনে নোটিশে লেখা, ‘প্রবেশ করো এবং কাঁদো’। আরেকটি নোটিশ বোর্ডে লেখা, ‘আমি উদ্বেগের মধ্যে আছি’। ঘরের এক কোণে একটি ফোনও রাখা। সেখানে হতাশা কাটাতে যাদের সঙ্গে কথা বলা যাবে, তাদের ফোন নম্বর দেওয়া। তাদের মধ্যে একজন মনোবিদও রয়েছেন। এমনই একটি ঘর আছে

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে। এটি একটি কান্নাঘর। এ প্রকল্পের লক্ষ্য মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন।

মাদ্রিদে থাকেন সুইডিশ শিক্ষার্থী জন নেলসম। তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনা করে এ ধরনের কান্নাঘর তৈরির পরিকল্পনা খুবই অভিনব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো স্পেনেও কান্নাকে এক ধরনের দুর্বলতা বা অস্বস্তিকর ব্যাপার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে কান্নাঘর প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি কোনো সামাজিক বাধার বিষয় নয়। এটি জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সংকট। আমাদের এ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। এ ইস্যু জনগণের সামনে আনতে হবে।

২০১৯ সালে স্পেনে ৩ হাজার ৬৭১ জন আত্মহত্যা করেন। দেশটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া আত্মহত্যা হচ্ছে মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ। সরকারি তথ্য অনুসারে, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে একজনের মানসিক অসুস্থতা রয়েছে। এ ছাড়া ৫ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ উদ্বেগ ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন।

advertisement
advertisement