advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

এএসপি সারোয়ারের সম্পদের খোঁজে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২১ ০১:৫৪ এএম
advertisement

দিনাজপুরে মা ও ছেলেকে অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এএসপি সারোয়ার কবিরের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল কমিশন এই অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছে।

দুদকের তথ্যমতে, পুলিশের এএসপি সারোয়ার কবির কয়েক বছর চাকরি করেই বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হন বলে অভিযোগ পায় দুদক। কমিশন অভিযোগ অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছে। এর পরই গতকাল সংস্থাটির উপপরিচালক শাহীন আরা মমতাজকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের কর্মকর্তারা বলেছেন, সিআইডির রংপুরের এএসপি সারোয়ার বাড়ি, গাড়িসহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ

আছে। তিনি ঠিক কী পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, সে বিষয়ে দুদকের কাছে কোনো তথ্য নেই। দুদক তার অবৈধ সম্পদের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থেকে এক নারী ও তার ছেলেকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে গত ২৪ আগস্ট সারোয়ার কবিরসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা করা হয়। মামলার অপর আসামিরা হলেন- রংপুর সিআইডির এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক, মাইক্রোবাস চালক হাবিবুর ও সিআইডির সোর্স খাসিউর রহমান।

এজাহারে বলা হয়, গত ২৩ আগস্ট রাত ৮টার দিকে ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি পুলিশ পরিচয় দিয়ে চিরিরবন্দরের নান্দারাই গ্রামের লুৎফর রহমানের বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রী জহুরা বেগম ও ছেলে জাহাঙ্গীরকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে মা-ছেলের মুক্তিপণ হিসেবে ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন। অপহরণকারীদের দেওয়া তথ্যমতে ৮ লাখ টাকা নিয়ে ২৪ আগস্ট বিকালে দিনাজপুর সদরের বাশেরহাটে যান লুৎফরের পরিবারের সদস্যরা। অপহরণকারীরা টাকা নিতে এলে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে। তখন তারা মাইক্রোবাস নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর এলাকা থেকে পুলিশ সারোয়ারসহ সিআইডির ৩ সদস্য ও মাইক্রোবাস চালককে আটক করে। পরে রাতে সিআইডির সোর্স খাসিউর রহমানকে আটক করা হয়।

advertisement
advertisement