advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নিজের ভোট দিতে পারলেন না আওয়ামী লীগ প্রার্থী

সিরাজগঞ্জ (শাহজাদপুর) প্রতিনিধি
২ নভেম্বর ২০২১ ০৫:২৩ পিএম | আপডেট: ২ নভেম্বর ২০২১ ০৯:১২ পিএম
মেরিনা জাহান কবিতা। সংগৃহীত ছবি
advertisement

জাতীয় সংসদের সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই প্রথম ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা তার নিজের ভোটটি দিতে পারলেন না। কারণ, তিনি ঢাকার ভোটার। 

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মেরিনা জাহান কবিতা বলেন, ‘আমি ঢাকার গুলশানের ভোটার হওয়ার কারণে শাহজাদপুরে ভোট দিতে পারলাম না। তবে ভোটার পরিবর্তেনর জন্য আবেদন করেছি। আমি নিজে ভোট দিতে না পারলেও শাহজাদপুরের ভোটাররা আমাকে নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করবে। আমি বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত।’

উপ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর সঙ্গে জাতীয় পার্টি সমর্থিত লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী মোক্তার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর মোটরগাড়ি প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্ধন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি ভোট বর্জন করায় শাহজাদপুর উপজেলাজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ তেমন না ছড়ালেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মাঠ ঘাট পাড়া মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন। তার নির্বাচনী প্রতীকের বিজয়ের লক্ষ্যে নির্বাচনী কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নৌকা প্রতিকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র মোটরগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীরের প্রচার প্রচারণা তেমন একটা চোখে পড়েনি। তবে সরব ছিলেন জাতীয়পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী মোক্তার হোসেন। তবে সকাল থেকে কোন কেন্দ্র নৌকার এজেন্ট ছাড়া অন্য কোন প্রার্থীর এজেন্ট চোখে পড়েনি কোন বুথে।

শাহজাদপুর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৪৩ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৫ হাজার ৪৩৭ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৬০টি, এর মধ্যে ৫৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে।

রাজশাহী বিভাগের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৮ প্লাটুন র‌্যাব, ৪ প্লাটুন বিজিবি, ৮জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন রয়েছে।

advertisement
advertisement