advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের কেউ প্রার্থী হলে দলের বাধা থাকবে না : ফখরুল

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
২ নভেম্বর ২০২১ ০৬:০০ পিএম | আপডেট: ২ নভেম্বর ২০২১ ০৮:০৪ পিএম
ছবি : আমাদের সময়
advertisement

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের কেউ যদি অংশগ্রহণ করে তাহলে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বাধা থাকবে না জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে দলীয় প্রতীকে নয়, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে বলে জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ি এলাকার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ সময় তিনি বলেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় মার্কা দিয়ে নির্বাচন করতে গেলে গ্রামীণ যে রাজনীতি, গ্রামীণ যে সমাজ এটা পুরোপুরিভাবে বিভক্ত হয়ে যায়। সেখানে চয়েজটা খুব সীমাবন্ধ হয়ে যায় মানুষের কাছে। সে কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় পর্যায়ে বা দলীয় মার্কা দিয়ে করব না। তবে দলের কেউ যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায় তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা থাকবে না।’ 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম থেকেই আমরা দলগতভাবে নির্বাচন করার বিপক্ষে ছিলাম। আমরা সবসময় বলেছি স্থানীয় সরকারকে দলীয়করণ অথবা দলীয় মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচন করা সঠিক হবে না। যেটা ইতিমধ্যে প্রমাণ হতে শুরু করেছে। আওয়ামী লীগই এখন চিন্তাভাবনা করছে তারা দলীয় মনোনয়ন বা দলীয় মার্কা বাদ দিয়ে নির্বাচন করার।’

ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নিয়ে আমাদের খুব একটা আগ্রহ নেই। এজন্যই যে বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থাটাই একেবারে পুরোপুরি এই সরকারের হাতে পড়ে বিনষ্ট হয়ে গেছে। আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে যেটা দেখেছি যে, নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকার যদি না থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশন কোনোকিছু করতে পারে না। সে কারণে আমাদের বিগত দিনের নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্বাচন বর্জনও করেছি, নির্বাচনও করেছি ।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনেও সার্চ কমিটি করা হয়েছে সেখানেও আমাদের মতামত দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এই সরকার কোনোকিছু গ্রহণ করে না। তারা তাদের মতো করে নির্বাচন করার জন্য সমস্ত কিছু সাজিয়ে নেয়। যে কারণে এখন আমরা মনে করি, আওয়ামী লীগের যেটা দাবি ছিল সেটা; নির্বাচন চলাকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা একটা নিরপেক্ষ সরকার থাকতে হবে। যাদের রাজনৈতিকভাবে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকবে না বা সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। যারা ৯০ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনটা করবে এবং তার পরেই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। যেটা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণভাবে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে আগের রাতে নির্বাচন করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। সে ক্ষেত্রে বিএনপি অতীত ও বর্তমানে জনগণের জন্য এটি স্বপ্নের রাষ্ট্র বাস্তবায়নে কাজ করছে। যেখানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার থাকবে, তেমন রাষ্ট্র গড়তে কাজ করছে বিএনপি।’

এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীন, সহ-সভাপতি আল মামুন আলম ও অর্থ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফসহ বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
advertisement