advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

আর কত পথ পেরোলে দুর হবে এ বিড়ম্বনা

ই-পাসপোর্টে দীর্ঘ ভোগান্তি

২৪ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২১ ১০:১৩ পিএম
advertisement

পাসপোর্ট আমাদের জীবনে অত্যন্ত মূল্যবান ও প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। বিশেষ করে বিদেশগামীদের জন্য পাসপোর্ট অত্যাবশ্যক। গত ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট বা ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট চালু করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, ই-পাসপোর্ট পেতে নানামুখী ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে পাসপোর্টপ্রত্যাশীদের।

গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের শুরুতে বলা হয়েছিল সর্বোচ্চ ২১ দিনের মধ্যেই ভোগান্তি ছাড়া নাগরিকরা এ পাসপোর্ট পাবেন। অথচ ওই আশাবাদ আজ গুড়েবালিতে পরিণত হয়েছে। এখন ই-পাসপোর্ট পেতে অতিরিক্ত সময় লাগার কারণে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সেবাপ্রত্যাশীদের। বিশেষ করে ভিসার মেয়াদ শেষের দিকে হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে যেসব প্রবাসীর পাসপোর্ট প্রয়োজন, তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন বেশি। এ ছাড়া বিদেশে চিকিৎসা নিতে চাওয়া রোগী ও শিক্ষার্থীরাও সময়মতো পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। তা খুবই দুঃখজনক।

এদিকে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন পাসপোর্ট পেতে বিলম্বের কারণ হিসেবে জনবল সংকট ও সক্ষমতার থেকে বেশি আবেদন পড়ার কথা। করোনার পর চাপ পড়তে পারে, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি থাকা উচিত ছিল। চাহিদা অনুযায়ী পাসপোর্ট দিতে হলে দক্ষ জনবল ও অন্যান্য টেকনিক্যাল সাপোর্ট থাকাটা খুবই প্রয়োজন ছিল। থাকলে হয়তো পাসপোর্টপ্রত্যাশীদের এ রকম ভোগান্তিতে পড়তে হতো না। আমাদের দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ এখন প্রবাসে থাকে। তাদের রেমিট্যান্সপ্রবাহেই আমাদের অর্থনীতির গতিপ্রবাহ ক্রমাগত বাড়ছে। তাদেরও পাসপোর্ট দরকার হয়। কিন্তু কষ্টকথা এই যে, প্রবাসীরাও পাসপোর্ট ভোগান্তি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।

বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্টপ্রত্যাশীদের নানা বিড়ম্বনার খবর মাঝে মধ্যেই গণমাধ্যমে উঠে আসে। এবার এই দীর্ঘসূত্রতা মূলত শুরু হয়েছে করোনার কারণে। দালালের দৌরাত্ম্যও বেড়েছে। বিশেষ করে যাদের জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট দরকার, তারা রয়েছেন চরম ভোগান্তি আর অনিশ্চয়তায়। এখন ই-পাসপোর্ট নিয়ে আরও সতর্ক হওয়া উচিত। বিশেষ করে পাসপোর্টপ্রাপ্তিতে জনভোগান্তি দূর করতে হবে। নতুন প্রযুক্তি যেন বিড়ম্বনার কারণ হয়ে না দাঁড়ায়। যে জনবল সংকটের কথা বলা হচ্ছে, তা দ্রুত নিয়োগ দিয়ে চলমান এই দুর্ভোগ দূর করা জরুরি।

advertisement
advertisement