advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

জাতিসংঘে বৈঠক
এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সুপারিশ অনুমোদিত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
২৫ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২১ ০২:৩৮ এএম
advertisement

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সুপারিশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুমোদিত হয়েছে। পরিষদের ৭৬তম বৈঠকের ৪০তম প্লেনারি সভায় গতকাল বুধবার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক বিবৃতিতে এই অর্জনকে বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রার এক মহান মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। গতকাল জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিবৃতি অর্থমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ও স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নপূরণে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে এই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের যে অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন যাত্রা, এটি তারই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই সাফল্যের অংশীদার দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনাসভায় দ্বিতীয়বারের মতো স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ বা গ্রাজুয়েশনের মানদণ্ড পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ উত্তরণের সুপারিশ লাভ করেছিল। সিডিপি একই সঙ্গে বাংলাদেশকে ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরব্যাপী প্রস্তুতিকালীন সময় প্রদানেরও সুপারিশ করেছে। ইতোমধ্যে সিডিপির সুপারিশ অনুমোদন করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ। আশা করা হচ্ছে, পাঁচ বছর প্রস্তুতিকাল শেষে বাংলাদেশের উত্তরণ ২০২৬ সালে কার্যকর হবে। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যে জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত তিনটি মানদণ্ড পূরণের মাধ্যমে স্বল্পন্নোত দেশ থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। প্রস্তুতিকালীন এই সময়ে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রাপ্ত সব সুযোগসুবিধা অব্যাহত থাকবে। তা ছাড়া বর্তমান নিয়মে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের পর আরও তিন বছর শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

advertisement
advertisement