advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

আর কত প্রাণ ঝরলে টনক নড়বে

নগর সংস্থার গাড়ি প্রাণ কাড়ল শিক্ষার্থীর

২৬ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২১ ১১:১৮ পিএম
advertisement

গাড়িচাপায় নটর ডেম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের (১৭) মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার শিক্ষার্থী নাঈম গুলিস্তানে সড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে পড়ে যায়। এর পর গাড়িটি না থেমে তাকে চাপা দেয়। এ ঘটনায় একজনকে গত বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। চালক তার সহকারীকে গাড়ি দিয়ে বাসায় চলে যান। ঘটনার সময় গাড়িটি চালাচ্ছিলেন চালকের সহকারী। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের উল্টোদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ময়লার গাড়ির চাপায় প্রাণ হারালেন আহসান কবির খান। বলার অপেক্ষা রাখে না, তারা জানেন কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেও এর বিচার হবে না। পরিসংখ্যান জানায়, মাত্র ১০ শতাংশ দুর্ঘটনার বিচার হয়। ৯০ শতাংশ অভিযুক্ত দায়মুক্তি পেয়ে যান। ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কে বেপরোয়া বাসের চাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহত হলে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে। এর পর সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যক্তির মৃত্যুর দায়ে পাঁচ বছরের সাজার বিধান রেখে সংসদে আইন পাস হয়। এ বছর আবার আইনটি সংশোধন করে জেল-জরিমানা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। যেখানে ‘কঠোর আইন’ থাকা সত্ত্বেও সড়কে হরহামেশা প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে, সেখানে শিথিল করলে যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে এবং সড়কে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়বেÑ এতে সন্দেহ নেই।

আমরা মনে করি সরকারকে এটি উপলব্ধি করতে হবে, স্বার্থান্বেষী মহলের কাছে নতিস্বীকার নয়। সড়ক দুর্ঘটনা একটি গুরুতর জাতীয় সমস্যা। এ বিষয়ে কোনো ছাড় কাম্য নয়। সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সচেষ্ট হতে হবে। এ ছাড়া যাত্রীসাধারণের সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে।

advertisement
advertisement