advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নাঈম হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে শিক্ষার্থীরা, ১০ দফা দাবি
৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

।হাফ ভাড়ার ইস্যুর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিরাপদ সড়ক।ময়লার গাড়ির চালক রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২১ ০২:৩৩ এএম
ডিএসসিসির গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজ শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার বিচার দাবিতে গতকাল বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা ষ মেহরাজ
advertisement

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ির চাপায় নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ হয়েছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট, মতিঝিল, পল্টন, যাত্রাবাড়ী, শনিরআখড়া, উত্তরা, ফার্মগেট, মিরপুর ১০, ধানমণ্ডি, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, আসাদ গেট, রামপুরা, রায় সাহেববাজার মোড়, শান্তিনগর, এলিফেন্ট রোড ও তেজগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন স্কুল-কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থী। আন্দোলনের পাশাপাশি তারা বিভিন্ন সড়কে যানবাহন আটকে গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করেন। তাদের জেরার মুখে পড়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ির চালকও। নিরাপদ সড়কের জন্য ট্রাফিক আইন কঠোরসহ ১০ দাবি নিয়ে তারা ঘেরাও করে নগরভবনও। এ সময় পোস্টার-প্লাকার্ড হাতে বিভিন্ন সেøাগান দেন তারা। দাবি আদায়ে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে শিক্ষার্থীরা বিকালে সড়ক ছাড়েন। দাবি আদায় না হলে আগামী রবিবার থেকে আবার রাজপথে নামার হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের কারণে গতকাল সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কগুলো বিকাল পর্যন্ত স্থবির হয়ে পড়ে। সীমাহীন যানজটের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় নগরবাসীকে।

শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও পড়েন বিপাকে। সড়ক আটকে বিক্ষোভ করলেও তারা অবরোধকারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে পারছেন না। উল্টো বুঝিয়ে-শুনিয়ে তাদের আন্দোলন স্থগিত করার অনুরোধ করতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের।

গত বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলিস্তানে সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী গাড়ির চাপায় নটর ডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান (১৭) নিহত হন। এর প্রতিবাদে বুধবার বিকালে মতিঝিল, পল্টন থানা এলাকার বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করেছে ডিএসসিসি। এছাড়া অবৈধভাবে গাড়ি চালাতে সহায়তা করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী হারুন ও আব্দুর রাজ্জাককে কর্মচ্যুত করা হয়েছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্যকে গাড়ি চালাতে দেওয়ায় চালক ইরান মিয়াকে করা হয়েছে সাময়িক বরখাস্ত। গতকাল রাতে ডিএসসিসির মুখপাত্র ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত এক দপ্তর আদেশ পাঠান।

এদিকে গত মঙ্গলবার গণপরিবহনে ‘হাফ পাসের’ দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন ঠেকাতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের পরিচয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগও পাওয়া গেছে। গতকাল একই ইস্যুতে গতকাল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। হাফ পাস নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে যখন বিআরটিএ ভবনে অংশীজনদের নিয়ে সভা চলছিল, ঠিক তখনই শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি জানাতে জড়ো হন সেখানে। তারা লাল-সবুজ পতাকা সঙ্গে নিয়ে, ব্যানারে দাবি লিখে বিআরটিএ ভবনের প্রবেশপথে বসে পড়েন এবং সেøাগান দেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট ইউনিভার্সিটি, তেজগাঁও কলেজ, হাবিবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি, সরকারি বিজ্ঞান কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সমাবেশে অংশ নেন। তারা নটর ডেম কলেজ শিক্ষার্থী হত্যার বিচারও দাবি করেন।

এদিকে গুলিস্তানের সড়কে শিক্ষার্থী নাঈমের মৃত্যুর ঘটনায় বুধবার রাতেই গাড়িচালক ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী রাসেল খানের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের বাবা শাহ আলম। পুলিশ গাড়ির চালক রাসেল খানকে বুধবার রাতেই গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রথমে মতিঝিলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে রাস্তায় নামে। এরপর সকাল ১১টার দিকে তারা গুলিস্তানের যে স্থানে নাঈম নিহত হয়েছিল, সেখানে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে নটর ডেম কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ সময় প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে নানা ধরনের সেøাগান দেন। এ সময় গুলিস্তান এলাকায় একজন পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না থাকায় কৈফিয়ত চান শিক্ষার্থীরা। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে ছুটে এলে ‘আইন সবার জন্য সমান’ উল্লেখ করে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলার দাবি জানান তারা।

দুপুর ১২টার দিকে শান্তিনগর মোড়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে রাজধানীর ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন। এ সময় তারা সড়কের উভয় পাশের যান চলাচল বন্ধ করে দেন। একই সময়ে তেজগাঁও, ফার্মগেট ও উত্তরায় বিক্ষোভ করছিলেন শিক্ষার্থীরা। নটর ডেম শিক্ষার্থীদের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সংবাদ না পাওয়ায় পুনরায় সড়কে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করে আন্দোলনকারীরা।

শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- যথাযথ তদন্ত করে নাঈমের ‘হত্যাকারীদের’ সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান; জেলা শহরের বিভিন্ন রুটে শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালু; স্কুল-কলেজের সামনে হর্ন ও ওভারস্পিডের জন্য জরিমানা এবং প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরে শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রদান; সব ছাত্রের জন্য হাফ পাস নিশ্চিতকরণ; প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে একাধিক স্পিড ব্রেকার নির্মাণ; শহরের প্রতিটি অচল ট্রাফিক লাইটের সংস্কার এবং সঠিক ব্যবহার করা; ট্রাফিক আইনের সঠিক প্রয়োগ; জেব্রা ক্রসিংয়ের পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ; চলন্ত বাসে যাত্রী ওঠানামা করালে প্রত্যেক বাসকে আইনের আওতায় আনা; নিরাপদ সড়ক আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন। নিহত নাঈমের নামে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবিও জানান শিক্ষার্থীরা।

গতকাল বিকালে ফার্মগেট এলাকায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সব শিক্ষার্থী হত্যার বিচারসহ কয়েক দফা দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। এসব দাবি না মানা হলে শনিবার থেকে আবারও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করে তারা। তাদের দাবিগুলো হলোÑ নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈমসহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সব শিক্ষার্থীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সব যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকাসহ সারাদেশে সড়ক, নৌ ও রেলপথে শিক্ষার্থীদের হাফ পাস নিশ্চিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। বৈধ-অবৈধ যানবাহন চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বৈধতার আওতায় আনতে হবে এবং বিআরটিএর সব কার্যক্রমে নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকাসহ সারাদেশে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রত্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা অবিলম্বে আধুনিকায়ন এবং পরিকল্পিত নগরায়ন সুনিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি ও সহিংসতা বন্ধ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং পরিকল্পিত বাস স্টপেজ ও পার্কিং স্পেস নির্মাণ এবং এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, রাজধানীতে বেপরোয়া গাড়ির চাকায় একের পর এক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ পিষ্ট হচ্ছে। এতো ঘটনার পরও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তি না হওয়ায় ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। এর আগে রমিজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় রাজধানীসহ সারাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে এলে তখন সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর পরও সড়কের নিরাপত্তাব্যবস্থার কোনো উন্নতি না হয়ে দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। এই রাজধানী যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। এই চালকদের যদি লাগাম টেনে ধরা যেত, তা হলে নাঈম হাসানের মতো আরেক শিক্ষার্থীকে প্রাণ দিতে হতো না।

নাঈম হাসানের মৃত্যুর প্রতিবাদে এবং সব গণপরিবহনে হাফ পাস নিশ্চিতসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে গতকাল ডিএসসিসি মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ করে নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে নগর ভবনের গেট আটকে তারাÑ উই ওয়ান্ট জাস্টিস, মেয়র তোমার দেখা চাই, নাঈম হত্যার বিচার চাই সেøাগান দিতে থাকে। এ সময় শিক্ষার্থীরা নগর ভবনের সামনের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নগর ভবনের মূল ফটকে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থী নাঈমের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান।

গুলিস্তানে ডিএসসিসির যে ময়লার গাড়ির ধাক্কায় শিক্ষার্থী নাঈম নিহত হয়েছে সেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন ক্লিনার রাসেল খান। গাড়িটির প্রকৃত চালক মো. হারুন। হারুনের কাছ থেকে চাবি নিয়ে সায়েদাবাদ থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন রাসেল। বৃহস্পতিবার দুপুরে পল্টন মডেল থানায় মতিঝিল বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ তথ্য জানান মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আব্দুল আহাদ। তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের বরাদ্দ দেওয়া গাড়ির চালক হারুন। গাড়িটি চালানোর কথা হারুনের। কিন্তু তিনি রাসেলকে দিয়ে চালাচ্ছিলেন। ইতোমধ্যে হারুনকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুতই তাকে আমরা আইনের আওতায় আনব। হারুনকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, কেন রাসেলকে দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন?’

গ্রেপ্তার রাসেলের পরিচয়ের বিষয়ে ডিসি আব্দুল আহাদ বলেন, রাসেল সিটি করপোরেশনের কেউ নন। তবে সিটি করপোরেশনের কিছু কাজ করেন। রাসেল জানিয়েছেন, তার আত্মীয়স্বজন সিটি করপোরেশনে চাকরি করেন। সেই সূত্র ধরে সে ক্লিনার হিসেবে কাজ করতেন। রাসেল এর আগেও এই গাড়ি চালিয়েছেন না কি সেদিনই প্রথম? এমন প্রশ্নের উত্তরে পুলিশের উপকমিশনার বলেন, রাসেল জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, এর আগেও তিনি গাড়িটি চালিয়েছেন। গাড়ির চাবি সিটি করপোরেশনের কেউ দিয়েছিলেন, নাকি হারুন দিয়েছিলেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের কেউ দেননি। গাড়ির চাবি হারুনই রাসেলকে দিয়েছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় জানান, ডিএসসিসি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজের এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় ঘাতক গাড়ির চালককে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবারও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে। এতে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন না করার অনুরোধ জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এদিকে হারুন মিয়াও এ কাজে সহযোগিতা করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবদুর রাজ্জাককে কর্মচ্যুত করেছে ডিএসসিসি। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের। তিনি জানান, বরাদ্দকৃত গাড়ি নিজে না চালিয়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্যকে চালাতে দেওয়ায় করপোরেশনের গাড়ি চালক (ভারী) মো. ইরান মিয়ার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু ও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

advertisement
advertisement