advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রাষ্ট্রের ১৭ লাখ টাকা কর ফাঁকি সাব-রেজিস্ট্রারের

বগুড়ার শেরপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক,বগুড়া
২৬ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২১ ০৯:৪৩ এএম
বগুড়ার শেরপুরের সাব-রেজিস্ট্রার অফিস। পুরোনো ছবি
advertisement

বগুড়ার শেরপুরের সাব-রেজিস্ট্রার নূরে আলম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ উঠেছে। আইনবহির্ভূতভাবে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে দলিল রেজিস্ট্রি করে এক দলিলেই সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয় অন্তত ১৭ লাখ টাকা। গত বুধবার (২৪ নভেম্বর) এ দলিল রেজিস্ট্রির ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

দলিল লেখকদের অভিযোগ, বদলিজনিত কারণে এ দিনই শেষ কর্মদিবস এই সাব-রেজিস্ট্রারের। তাই অনেকটা গোপনেই তড়িঘড়ি করে দলিলটি রেজিস্ট্রি করেন। এতে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারালেও তার পকেটে উঠেছে মোটা অঙ্কের টাকা। শুধু এ ঘটনাই নয়। এমন আরও অনেকটা ঘটনাই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। তাই সরকারের উচ্চমহল থেকে তদন্ত হলে এ উপজেলায় সরকারি লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির গোমর বের হয়ে আসবে বলে দাবি করেন তারা।

অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ মৌজায় দুই একর চার শতক বাণিজ্যিক জমি বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২’-এর জেনারেল ম্যানেজার ক্রয় করেন। জমি বিক্রেতা স্থানীয় বাসিন্দা এসএম কামাল হোসেন। সর্বশেষ জমির কাগজপপত্রে বাণিজ্যিক হিসেবেই নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করেন তিনি। অথচ এ জমি ধানি হিসেবে উল্লেখ করে বুধবার দুপুরে তার কাছ থেকে জমিটি রেজিস্ট্রি করে নেওয়া হয়। যার দলিল নং-১১০৯০। পুরো বিষয়টি সাব-রেজিস্ট্রার নূরে আলম সিদ্দিকীকে ম্যানেজ করেই করা হয়। এতে করে সরকার বাণিজ্যিক জমি রেজিস্ট্রির নির্ধারিত ভ্যাট-ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এভাবে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে দলিল রেজিস্ট্রি করায় সরকার অন্তত ১৭ লাখ টাকা রাজস্ব হারিয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

এদিকে এ দলিলে সম্পাদনকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন দলিল লেখক মতিউর রহমান মতি। তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমির সব কাগজপত্রই ধানি রয়েছে। শুধু বাণিজ্যিক হিসেবে খাজনা পরিশোধ করা হয়। তাই সেভাবেই দলিল করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জমির কোনো শ্রেণি পরিবর্তন করা হয়নি বলে জানান তিনি।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনেই দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। তাই সরকার কোনো রাজস্ব হারাননি। এসব নিছক অপপ্রচার। আমি এখানে যোগদানের পর যেসব দলিল লেখক কোনো অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিতে পারেননি মূলত তারাই আমার এ বিদায় বেলায় এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন এই সাব-রেজিস্ট্রার।

advertisement
advertisement