advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে

কক্সবাজারে বেড়েছে পর্যটক

২৭ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২১ ১০:৩৯ পিএম
advertisement

প্রাকৃতিকভাবে অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ কক্সবাজারে পর্যটনশিল্প বিকাশের বিশাল সুযোগ রয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে সাড়ে ১১ মাসে সবার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এখন সমুদ্রসৈকতসহ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়ায় বাড়ছে পর্যটকের আগমন। এ উপলক্ষে স্পটগুলো এখন পর্যটকদের পদভারে মুখরিত। ফলে বাড়ছে রাজস্ব আয়। পর্যটনশিল্পের বিকাশে আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কিন্তু এত বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সক্ষমতা যে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তেমন নেই। তাই সামান্যসংখ্যক ট্যুরিস্ট পুলিশ দিয়ে যে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না, তা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে বুঝতে হবে। টহলের মাধ্যমে শুধু অপরাধ ঠেকানো নয়, যাতে তাদের ধরা ও ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সেই উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি সে বিষয়টিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। পর্যটকরা সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি যেন সঠিকভাবে পালন করে সে বিষয়ে কঠোর নজর দিতে হবে। তা না হলে বড় বিপদ হতে পারে। নিয়ম না মানলে জরিমানা করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন সচেতনতা কার্যক্রম চালাচ্ছে, মাস্ক পরতে বলছে। কিন্তু নিজের স্বাস্থ্যের সুরক্ষার বিষয়টি প্রত্যেক পর্যটকের নিজেকেই দেখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও পর্যটক হয়রানি রোধে সমিতির পক্ষ থেকে সবাইকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে। কেউ অবহেলা করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সবাইকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা সামগ্রিকভাবে কক্সবাজারকে একটি পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে একটি পরিকল্পনার আওতায় একে গড়ে তুলতে হবে। স্পটগুলোয় যাতায়াতের জন্য আরও কিছু অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার। বিশেষ করে অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তায় আরও সচেতনতা ও সক্রিয়তার প্রমাণ রাখতে হবে। তাই কক্সবাজারকে রক্ষা করতে সব দিক দিয়ে সবাইকে কঠোর হতে হবে।

advertisement
advertisement